• সোমবার, ২৮ মে ২০১৮, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
  • ||

প্রথম মার্কিন নারী প্রেসিডেন্ট ইভানকা!

প্রকাশ:  ০৪ জানুয়ারি ২০১৮, ২০:০৭
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রিন্ট
বাবা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। সেই সূত্রে এখন হোয়াইট হাউসে। অথচ হোয়াইট হাউসে আসার সময়ই ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি। এ নিয়ে স্বামী জেরাড কুশনারের সঙ্গে কথাও হয় তার। প্রকাশিতব্য একটি বই থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, বইটির নাম ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি: ইনসাইড দ্য ট্রাম্প হোয়াইট হাউস’। বইটি লিখেছেন মাইকেল ওলফ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরের ও বাইরের বিভিন্ন ব্যক্তির প্রায় ২০০ সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে বইটি লেখা। রয়েছে হোয়াইট হাউসের উল্লেখযোগ্য অনেকের ঘটনার টুকরো টুকরো অংশ। যার মধ্যে ট্রাম্পের বড় মেয়ে ও তাঁর স্বামীর মধ্যে হওয়া চুক্তি সম্পর্কেও তথ্য আছে।

প্রকাশের আগেই বইটি হাতে পেয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। খবরে বলা হয়েছে, ‘ইভানকা ও তাঁর স্বামী জেরাড কুশনারের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল। তাঁরা ঠিক করেছিলেন , যদি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার কোনো সুযোগ সৃষ্টি হয়, তবে তাতে অংশ নেবেন ইভানকা।’

তবে কোন উৎস থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে-সেটি প্রকাশ করা হয়নি। বইটিতে বলা হয়, প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হলে ইভানকাই হবেন, হিলারি নন’।’

তবে শুধু যে ইভানকাই এমন স্বপ্ন দেখছেন তেমন নয়। তাঁর বাবা-মা-ও মেয়েকে নিয়ে এমন স্বপ্নই দেখেন। ইভানকার মা মেয়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দূরদর্শিতা নিয়ে যোগ্যতা স্মৃতিকথা ‘রেইজিং ট্রাম্প’-এ লিখেন, ‘ইভানকা পুরো ওভাল অফিস চালাতে সক্ষম। আর সেটা ১৫ বছরের মধ্যেই।’ ডোনাল্ড ট্রাম্পও মেয়ের সম্পর্কে লিখেছেন , ‘কে জানে একদিন হয়তো সেই প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হবে...।’

নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইভানকা ও কুশনারের মধ্যকার এই আলাপনের খবর কোনোভাবেই বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না ট্রাম্পের প্রধান কৌশলবিদ স্টিভ ব্যানন।

মূলত ইভানকা ও কুশনারের বিরোধী হিসেবে পরিচিত ছিলেন স্টিভ ব্যানন। তিনি এই দম্পতির জন্য ‘জাভানকা’ নামটি চালু করেন, যা এখন হোয়াইট হাউসে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়। ম্যাগাজিন ভ্যানিটি ফেয়ারে গত ডিসেম্বর মাসে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সব বাজে সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছেন ইভানকা ও তাঁর স্বামী কুশনার। 

এদিকে প্রকাশিতব্য বইটির সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে হোয়াইট হাউস। প্রেস সচিব সারাহ স্যান্ডার্স গত বুধবার সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, এই বই মিথ্যায় পরিপূর্ণ। এখানে এমন মানুষের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে যাদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার বা প্রভাব-কোনোটাই নেই।

বাবা ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার মধ্য দিয়ে রাজনীতির সংস্পর্শে আসেন ইভানকা। পরে ট্রাম্প প্রশাসনেও যোগ দেন তিনি। এর আগে নিজের ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন ইভানকা।