• বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

ট্রাম্পের পরিকল্পনা ফাঁস

প্রকাশ:  ০৫ জানুয়ারি ২০১৮, ১৭:৫১
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রিন্ট

বিশ্বের ক্ষমতাধর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন অজানা বিস্ফোরক তথ্য নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে নতুন বই। ট্রাম্প প্রশাসনের হুমকি ও আইনি প্রচেষ্টা রুখে দিয়ে আগাম বাজারে আনা হয়েছে ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি : ইনসাইড দ্য ট্রাম্প হোয়াইট হাউস’ নামের বইটি। স্বনামধন্য সাংবাদিক মাইকেল ওলফ লিখেছেন এই বইটি।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের ভেতরের-বাইরের প্রায় ২০০ ব্যক্তির সাক্ষাৎকারের উপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে বইটি। আলোচিত এই বইয়ের প্রকাশ বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনি প্রচেষ্টা নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনীতি বিশ্লেষক মাইকেল উলফ যাদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এটি রচনা করেছেন, তাদের মধ্যে ট্রাম্পের বেশ কয়েকজন কাছের সহযোগীও রয়েছেন।

বাজারে আসার আগেই বইটির প্রকাশক এর সার সংক্ষেপ প্রভাবশালী ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানকে পাঠিয়ে দেন। সংবাদমাধ্যমটি গুরুত্বের সঙ্গে সংবাদটি প্রকাশ করে।

গার্ডিয়ান জানায়, হলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের আইনজীবী হিসেবে বিখ্যাত আইনজীবী চার্লস জে হারডারকে বইটির প্রকাশ ঠেকানোর কাজে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প। হারডার বইটির লেখক ও প্রকাশককে বৃহস্পতিবার আইনি নোটিশ পাঠিয়ে জরুরি ভিত্তিতে এর প্রকাশ ও প্রচারণা বন্ধ করতে বলেন। তবে প্রকাশনা বন্ধ করার বদলে মোড়ক উন্মোচনের তারিখ এগিয়ে নিয়ে আসেন বইয়ের প্রকাশক।

শুক্রবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এরইমধ্যে বইটি বাজারে এসেছে।

বিসিবির খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সাবেক পরামর্শক স্টিভ ব্যাননের সঙ্গে রুশদের কথিত বৈঠককে ‘রাষ্ট্রদ্রোহমূলক’ বলে অভিহিত করার পাশাপাশি বইটিতে ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকাকে নিয়ে অজানা তথ্য রয়েছে। বিবিসি জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হয়ে নিজেই বিস্মিত হয়েছিলেন। আর তার টিমের লোকজন হয়েছিলেন শোকাগ্রস্থ।

নানা অজানা তথ্যের মধ্যে হোয়াইট হাউসের সাবেক চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট স্টিভ ব্যাননের একটি বিস্ফোরক মন্তব্য আছে ওই বইতে। বইয়ের তথ্যানুসারে, নির্বাচনি প্রচারের সময় রাশিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ট্রাম্পপুত্র ডোনাল্ড জুনিয়রের বৈঠককে ‘রাষ্ট্রদ্রোহমূলক’ বলে অভিযোগ করেছিলেন ব্যানন। ২০১৬ সালের জুনে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ট্রাম্প টাওয়ারে ওই বৈঠক করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র।

/তুহিন/