• শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০ ১৪২৫
  • ||
  • আর্কাইভ

শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরসহ আহত ৫

প্রকাশ:  ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৭:৫২ | আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০:৫২
জাককানইবি প্রতিনিধি
প্রিন্ট

খেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের রুপ নেয়।যা পরবর্তীতে ছাত্রলীগের মধ্যে ছড়িয়ে যায়।সংঘর্ষে শিক্ষক,শিক্ষার্থী সহ আহত হয় ৫ জন।বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শুরু হওয়া আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে এইচ.আর.এম বিভাগের পক্ষে কে কে খেলবে এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তর্কে জড়িয়ে পরেন ওই বিভাগের শিক্ষার্থী এ.এ.যুব ও অভি বসাক সেখানে তানিম নামে এক শিক্ষার্থীর সম্পৃক্ততাও রয়েছে।

সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে বেলা পোনে ১টার সময়।হলের নিচ থেকে শুরু হয় সংঘর্ষ ,সেখানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির অবস্থা দেখে তা নিয়ন্ত্রনে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বডি।সে সময় হামলার মুখে পড়েন সহকারী প্রোক্টর মাসুম হাওলাদার ও হল প্রভোস্ট সিদ্ধার্থ সিধু।এসময় ঘটনাস্থলে আসেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবু ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান রাকিব।কর্মীদের তোপের মুখে পড়ে তারা সমাধানের দিকে এগোতে চেষ্টা করে কিন্তু খানিক সময় নিড়ব থাকলেও হটাত করে একদল জোটবদ্ধ হয়ে হলের দিকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুরে তখন হলের জানালা ভাংচুর করে বিক্ষোব্ধরা।পরবর্তীতে রাকিবুল হাসান রাকিব হলের গেইটে তালা ঝুলেয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।

মূলত এই সংঘর্ষটি খেলা কেন্দ্রিক হলেও তা প্রভাব পড়ে ছাত্রলীগের রাজিনীতিতে।খেলা থেকে চলে যায় ছাত্রলীগের বিভিন্ন পক্ষে।আহত হয়ে অভি বসাক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে প্রেরন করেন বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল।

উল্লেখ্য এ.এ.যুব বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুর সাথে রাজনীতি করেন অন্যদিকে অভি বসাক সাবেক সাধারণ সম্পাদক আপেল মাহমুদের সাথে রাজনীতি করতেন।বর্তমানে সাধারন সম্পাদক রাকিবুল হাসানের সাথে আছে বলে জানা গেছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে অন্যদিকে ক্যাম্পাসে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এ বিষয়ে পূর্ব-পশ্চিম কে প্রক্টর ড. মোঃ জাহিদুল কবীর বলেন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহন করবে।এই দিকে নিরাপত্তার স্বার্থে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

অন্যদিকে  বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ কামরুল হাসান বলেন ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।নিরাপত্ত্বার স্বার্থে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বলেন সংঘর্ষে যারা জরিত তারা ছাত্রলীগের কেউ না।এই ঘটনার সাথে ছাত্রলীগ সম্পৃক্ত নয়।

 

/পি.এস