• বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫
  • ||

কেমন কাটছে মিমের দিনকাল?

প্রকাশ:  ০৫ জানুয়ারি ২০১৮, ২১:২৭
বিনোদন ডেস্ক
প্রিন্ট

২০১৪ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টার প্রতিযোগিতার বিজয়ীর মুকুট উঠেছিল তার মাথায়। রুপ আর নানান গুণের মানুষটি সুহাসিনীও বটে। সেবার তিনি জয় করেন বিউটিফুল স্মাইলের খেতাবও। তিন বছরের মিডিয়া-যাত্রায় ইতিমধ্যে বেশ পরিচিত নাম নাদিয়া আফরিন মিম-এর কথাই বলছি, প্রিয় পাঠক।

বিজ্ঞাপনচিত্র ও নাটকের নিয়মিত মুখ নাদিয়া এরই মধ্যে দর্শকদের প্রিয় শিল্পীর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। এক ঘণ্টার নাটক, টেলিফিল্মের পাশাপাশি চুটিয়ে অভিনয় করছেন ধারাবাহিক নাটকেও। এ ছাড়া বিজ্ঞাপনচিত্রে তার উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। তার অভিনীত বেশ কিছু নাটক ও বিজ্ঞাপন দর্শকপ্রিয়তা লাভ করেছে।

নতুন বছরের শুরুতে তার কাছে জানতে চাইলাম, কেমন কাটল বছরটি আর আগামী বছরের লক্ষ্যই বা কী? নাদিয়া জানালেন, ‘২০১৭ সাল মোটামুটি ভালোই কেটেছে। অভিনয়, লেখাপড়া আর সংসার নিয়েই প্রায় ডুবে ছিলাম। বেশ কিছু কাজ করেছি গত বছর। এ বছরে আরও কাজ করতে চাই। নতুন বছরটি যেন সবার দোয়ায় গত বছরের চেয়েও ভালো যায়- সেটাই আপাতত লক্ষ্য।’

বর্তমান কাজের ব্যস্ততা নিয়ে নাদিয়া জানালেন, এ মুহূর্তে বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক ও খণ্ড নাটকের অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত আছি। ‘সুপার গার্লস’, ‘মেঘের পরে মেঘ জমেছে’, ‘ছন্নছাড়া’সহ আরও কিছু নাম আছে এ তালিকায়। সম্প্রতি ‘বিদেশি পাড়া’ নামে একটি ধারাবাহিকে কাজ করছি। গ্রামীণ গল্প নিয়ে নাটকটি আশা করি দর্শকদের ভালো লাগবে। এ ছাড়া আগামী ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে নির্মিতব্য কয়েকটি খণ্ড নাটকও রয়েছে হাতে।

শহীদপল্লী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি এবং এসওএস হারম্যান মেইনার কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে এইচএসসি পাস করে বর্তমানে নাদিয়া একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে পড়ছেন। পড়ালেখা চালিয়ে যেতে চান সামনের দিনগুলোতেও। ভবিষ্যতে অভিনয় বিষয়ে ডিগ্রি নেয়ারও ইচ্ছা রয়েছে। নাটকে অভিনয় করে নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে চান তিনি। আর নিজের অভিনয় দক্ষতা ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে চান চলচ্চিত্রে। নাদিয়া জানালেন, চলচ্চিত্র অনেক বড় জায়গা। এখানে অভিনয়ের জন্য নিজেকে তৈরি করা প্রয়োজন। তা ছাড়া এখনও আমার পড়াশোনা শেষ হয়নি। চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে হলে অনেক সময় প্রয়োজন। আপাতত পড়াশোনার পাশাপাশি টিভি মাধ্যমে কাজ করি। পড়াশোনা শেষ করে তার পর চলচ্চিত্রে নাম লেখাব। কাজের চাপে অবসর পান কতটুকু- তিনি জানালেন, ‘ইদানীং অবসর কম। কিন্তু এর মধ্য থেকেই সময় বের করে নিই। অবসরে গান শুনতে এবং বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে ঘুরতে পছন্দ করি। এ ছাড়া বই পড়তেও ভালো লাগে। আমি সবচেয়ে বেশি হুমায়ূন আহমেদ স্যারের বই পড়ি। /সম্রাট