• সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
  • ||

‘রাতে একা শুতে পারি না’

প্রকাশ:  ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ১৫:০৯
বিনোদন ডেস্ক
প্রিন্ট

বেশিরভাগ সময় তিনি ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। হরনাথ চক্রবর্তীর ‌‘ভূতনাথ’ ছবির শুটিং করতে এখন তিনি টিটাগড়ের জুটমিলে। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় তার আগামী ছবি ‘বাঘ বন্দি খেলা’ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকাকে একটি সাক্ষাতকার দিয়েছেন। সাক্ষাতকারটি পূর্বপশ্চিম পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

প্র: শ্রাবন্তী কি মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে চান না?

উ: এ কী! একদম না! মিডিয়াই তো কথা বলে না।

প্র: কী করে বলবে? আপনাকে তো পাওয়াই যায় না। অর্ধেক সময় ফোন নট রিচেবল...

উ: আসলে এটা আমার নয়। আরবানার সমস্যা। আমি ৩৫ তলায় থাকি। আর বাড়িতে একদম নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। বাড়ির বাইরে এলে আমার ফোনে নেট আসে। তাই আমার যোগাযোগ মাঝে মাঝে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

প্র: আরবানা তো টালিউড ইন্ডাস্ট্রির নতুন কেন্দ্র!

উ: হ্যাঁ। আমার ব্লকেই তো রাজ-শুভশ্রী থাকে। এত সুন্দর ভিউ যে কী বলব।

প্র: আপনি এখন টিটাগড়ে কী করছেন?

উ: হরদা, হরনাথ চক্রবর্তীর ছবির শুট চলছে। আমার অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল হরদার সঙ্গে কাজ করার। আসলে সব কিছুর তো একটা সময় থাকে। খুব এনজয় করছি। ভূতের গল্প। এখানেও সোহম আছে আমার সঙ্গে। অনসম্বল কাস্ট। তবে হরদা কিন্তু রেগে যাচ্ছে মাঝে মাঝে। সব কিছু সামলাতে হচ্ছে বলে হয়তো।

প্র: এখন তো ‘বাঘ বন্দি খেলা’র মৌসুম...

উ: এরকম ছবি কিন্তু টালিউডে আগে আসেনি। তিনটে আলাদা গল্প। আলাদা তিন পরিচালক। আলাদা তিন জুটি। ক্রাইমকে ঘিরে একেক গল্পে একেক ঘটনা বলা হচ্ছে। আমরা ছবিটা নিয়ে সবাই খুব এক্সাইটেড। আমি আর সোহম ‘বন্দি’র অংশে অভিনয় করেছি। ছবিতে একে অপরের প্রতি পারস্পরিক ঘৃণা থেকে একটা ক্রাইমকে ঘিরে কেমন করে আমাদের মধ্যে ভালোবাসার জন্ম হয় সেটা প্রকাশ পাবে।

প্র: সোহমের সঙ্গে আপনার জুটি তো জমে ক্ষীর!

উ: মানুষ আমাকে আর সোহমকে রোম্যান্টিক জুটি হিসেবে দারুণভাবে গ্রহণ করেছে। আর এখন এমন হয়েছে একসঙ্গে দৃশ্য থাকলে আমরা কেউ আলাদা করে আর ভাবি না। সোহম জানে, আমি কোন সংলাপ কতটা সময় নিয়ে কীভাবে বলব। আর আমিও জানি সোহম কেমন করে রিঅ্যাক্ট করবে।

প্র: এই ছবির অন্য জুটিদের কথা বলবেন না?

উ: নিশ্চয়ই। জিৎদা আর সায়ন্তিকার জুটি তো ‘আওয়ারা’ থেকেই হিট। আর বুম্বাদাকে নিয়ে আলাদা করে কী বলব! আমরা সব সময় তার অভিনয়ের দিকে তাকিয়ে থাকি। এই ছবিতে বুম্বাদা ক্রিমিনাল লইয়ার। তার মেয়ে ঋতিকার সঙ্গে টানাপড়েন এই ছবি তুলে ধরতে চেয়েছে। ‘বাঘ বন্দী খেলা’ আসলে এমন একটা ছবি যা সব মানুষ দেখতে চাইবে। আজকের সময়ের কথা নিয়ে এই ছবির গল্প বলা হয়েছে।

প্র: আপনাকে আমরা সবাই ‘গয়নার বাক্স’র মতো ছবিতেও কিন্তু দেখতে চাই। সেটা কবে হবে?

উ: খুব শিগগিরিই হবে। আমি আনন্দবাজার ডিজিটালকে জানাব তখন।

প্র: আপনি নিজে ভূতের ভয় পান। তাহলে ভূতের ছবি করছেন কী করে?

উ: ওরে বাবা! আমি ভীষণ ভূতের ভয় পাই। রাতে ঘরে একা শুতে পারি না। মা থাকেন আমার সঙ্গে। কিন্তু হলে কী হবে? ভূতের ছবি দেখতে, সবাইকে ভূতের ভয় দেখাতে খুব ভালোবাসি। এই তো টিটাগড়ের কোন কালে বন্ধ হয়ে যাওয়া জুটমিলে শুট করতে করতে মনে হচ্ছে আমার চারপাশেই কত ভূত ঘুরছে। আমি তো যেখানেই যাচ্ছি লোক নিয়ে যাচ্ছি। একা কোথাও যাচ্ছি না বাবা!

/অ-ভি

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়,সোহম চক্রবর্তী,অভিনেত্রী,অভিনেতা,টালিউড,বাঘ বন্দি খেলা’
apps