• বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ৫ পৌষ ১৪২৫
  • ||

মালয়েশিয়া বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭মার্চ পালন

প্রকাশ:  ০৯ মার্চ ২০১৮, ১৪:২২
আহমাদুল কবির
প্রিন্ট

মালয়েশিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সাথে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।ঐতিহাসিক ৭মার্চের তাৎপর্য তুলে ধরে বৃহস্পতিবার বিকেলে দূতাবাসের হল রুমে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর মো: সায়েদুল ইসলামের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় ৭মার্চের অনুষ্টানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মহ.শহীদুল ইসলাম।

আলোচনা সভার সূচনাতে কুরআন তিলাওয়াতের পর ৭মার্চের উপর একে একে পড়ে শুনানো হয় রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন এয়ার কমডোর মো: হুমায়ূন কবির ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতালয় প্রধান ওয়াহিদা আহমেদ।আলোচনা সভায় সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতার ৭মার্চের ভাষণ নিয়ে আলোচনা করেন রাষ্ট্রদূত মহ. শহীদুল ইসলাম ও দূতাবাসের মিনিষ্টার মো: রইছ হাসান সারোয়ার।

রাষ্ট্রদূত মহ. শহীদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭মার্চের ভাষণটি ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ তালিকায় স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কো নিজেই গর্বিত হয়েছে।জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭মার্চের ভাষণের আবেদন চিরদিনের এবং তা কখনও শেষ হবার নয়। কারণ এর মধ্য দিয়েই মুক্তিকামী বাঙালির আশার প্রতিফলন ঘটেছিল।বঙ্গবন্ধু একটি ইতিহাস। যার কারনে পৃথিবীতে আমরা বাঙ্গালী জাতি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছি এবং বিশ্বে বাঙ্গালী জাতির উম্মেষ ঘটিয়েছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জাতির জনকের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা ও দেশ জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সকলকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি বড় পর্দায় ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, শ্রম শাখার প্রথম সচিব মো: হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল, ফার্ষ্ট সেক্রেটারি মাসুদ হোসাইন, পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার প্রথম সচিব মো: মশিউর রহমান তালুকদার, বাণিজ্য শাখার প্রথম সচিব মো: রাজিবুল আহসান, দূতাবাসের প্রথম সচিব তাহমিনা ইয়াছমিন, শ্রম শাখার ২য় সচিব মো: ফরিদ আহমদ সহ দূতাবাসের সকল কর্ম-কর্তা ও কর্মচারি বৃন্দ।

apps