• রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭, -১ পৌষ ১৪২৪
  • ||
  • আর্কাইভ

ডিম দেওয়া ব্রয়লার মুরগীর মাংস কি খাওয়া হয়?

প্রকাশ:  ০৩ অক্টোবর ২০১৭, ১৭:১৯
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট

যে মুরগী ডিম দেয়, সেই একই মুরগী কি আপনাকে মাংসও দেয়? ধরুন, সকালে যে মুরগীর ডিম দিয়ে আপনি নাস্তা সারলেন, রাতে খাবারের প্লেটে কি আবার সেই মুরগীর মাংস খাবেন? এটা খুবই বিদঘুটে প্রশ্ন হলেও উত্তরটা কিন্তু ভেবে চিন্তেই দিতে হবে।

সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে, ফার্মের যে ব্রয়লার মুরগীগুলো ডিম দেয়, ওই মুরগীর মাংস আমরা খাই না। আমরা কেবল তাদের কাছ থেকে ডিমই পাই। গবেষণায় উঠে এসেছে, একটি মুরগীর গড় আয়ু ৭-৮ বছর। কিন্তু সমস্যা হল, ফার্মের এই মুরগীগুলো কিন্তু আমাদের এই সাত-আট বছর ধরেই ডিম দেবে না।  খুব বেশি হলে একেকটা মুরগী তাদের জীবনের প্রথম ২-৩ বছর ডিম দেয়। এর  বেশি একদমই নয়।

প্রথম অবস্থায় প্রতি ২২ ঘণ্টা পর পর তারা একটি করে ডিম দেয়ার ক্ষমতা রাখে। যতই বয়স বাড়ে ডিম পাড়ার ক্ষমতা কমে যায়।একটা সময়ে গিয়ে এই মুরগীগুলো আর কোন কাজে আসে না। অর্থাৎ এদের কোন বাণিজ্যিক গুরুত্ব নেই।

তাহলে ডিম না দিলে এদের জন্য এত খরচ করে লাভ কী? বিশেষ করে আপনি যখন ব্যবসার লক্ষ্যে মুরগী পালন করছেন। তাহলে কী করা হয় এই মুরগীগুলো দিয়ে? কিংবা এই মুরগীদের ভাগ্যে কি ঘটে? এতক্ষণে এমন প্রশ্ন অবশ্যই মনে চলে এসেছে।

বেশ কয়েকজন ফার্মের মালিকের থেকে জানা গেছে এই প্রশ্নের উত্তর। ডিম বন্ধ করে দেয়ার পর এদের আর ফার্মে রাখা হয় না। কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস ব্যবহার করে এদের অজ্ঞান করা হয়। এরপর বড় কোন ট্রাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় মাটি চাপা দিতে। বিষয়টি বেশ অমানবিকই মনে হতে পারে।

অনেক সময় এদেরকে রেন্ডার করে তেলেও পরিণত করা হয়। তারপর কারখানায় ব্যবহার করা হয়। তবে সবচেয়ে মানবিক পদ্ধতি হল, এদেরকে পোষা প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ইয়াহু নিউজ।

close