• শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

যেভাবে বুজবেন ফেসবুক প্রোফাইলটি আসল না নকল

প্রকাশ:  ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০২:১৪ | আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০২:২৮
তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক
প্রিন্ট

সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া এখন আর কেউ ভাবতেই পারে না৷ দিনে সময় পেলেই টাইমলাইনে অন্যদের আপডেটস, নিজের ছবি এবং স্টেটাস পোস্ট বা মেসেঞ্জারে পিং করে বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করতে সবারই ভাল লাগে৷ আবার সোশ্যাল মিডিয়া চ্যাটিংয়ে রয়েছে বেশ কিছু বিপদও৷ কারণ অবশ্যই ফেক প্রোফাইল৷ ফেসবুক-টুইটারে রয়েছে অসংখ্য ফেক প্রোফাইল৷ তাতে আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুর প্রোফাইলটি আসল না নকল? সেটা বোঝাটাও একটা কঠিন বিষয়৷ তবে বেশ কিছু উপায় রয়েছে, ফেক প্রোফাইল বোঝার৷ সেগুলো কী দেখে নিন একবার৷

প্রোফাইল পিকচার:

বেশ কিছু ছবি আছে যা অনেক ফেক আইডিতেই প্রোফাইল পিকচার হিসেবে ব্যবহার করা হয়৷ সেগুলো একটু ভাল করে দেখলেই বোঝা সম্ভব৷ সেসব ছবি যদি ব্যবহার হয়, তাহলে বুঝবেন ওই আইডি ফেক হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আর কোনও ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যাক্সেপ্ট করার সময় দেখে নিন, সেই প্রোফাইলে খুব কম সংখ্যায় ছবি নেই তো? অনেক সময় মাত্র একটা ছবিও থাকে অনেকে প্রোফাইলে৷ সেসব ক্ষেত্রে আইডি-টি ফেক হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি৷

বন্ধু তালিকা বা ফ্রেন্ডলিস্ট:

কারোর ফ্রেন্ডলিস্ট দেখাটা এখন সবক্ষেত্রে সম্ভব হয় না৷ কারণ অনেকেই নিজের ফ্রেন্ডলিস্ট পাবলিক করে রাখেন না৷ কিন্তু যদি থাকে, সেক্ষেত্রে দেখে নিন বন্ধুরা কারা৷ কারোর সঙ্গে আপনার মিউচুয়াল ফ্রেন্ড আছে কী না৷ যদি আছে তাহলে সেই মিউচুয়াল ফ্রেন্ড কেমন ব্যক্তি৷ এমনকী, নতুন বন্ধু সম্পর্কে সেই মিউচুয়াল ফ্রেন্ডকেও জিজ্ঞেস করে নিতে পারেন৷ মেয়েদের ক্ষেত্রে তাদের ফ্রেন্ডলিস্টে যদি ৩-৪ হাজার বন্ধু থাকে৷ তাহলেও সেটা অনেক সময় ফেক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ অনেক পুরুষ মানুষই আবার রয়েছেন, যারা মেয়েদের নামে এবং ছবি দিয়ে এক বা একাধিক ফেক প্রোফাইল খুলে রাখেন৷ কোনও অন্য মেয়ের প্রোফাইল থেকে ছবি নিয়ে ফেক প্রোফাইল তৈরি করেও অনেকে চ্যাট করেন৷ বেশি সংখ্যায় মেয়েদের-কে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্টও আসে এই সমস্ত মেয়েদের ছবি এবং নাম দিয়ে তৈরি ফেক প্রোফাইলগুলিতে৷

খারাপ ছবি:

আইডিতে যদি কোনও কুরুচিকর বা পর্ন ছবি থাকে৷ তাহলে সেই আইডি ফেক হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল৷ কারণ কোনও সুস্থ মস্তিষ্কের ব্যক্তিই চাইবেন না নিজের প্রোফাইলে এই ধরণের ছবি রাখতে৷

পেজ লাইক:

আপনার সন্দেহের আইডিটি কী ধরনের পেজে লাইক দিয়েছে সেটা তার রিসেন্ট অ্যাক্টিভিটি দেখলেই স্পষ্ট হবে৷ ফেক আইডি-তে বেশ কিছু অ্যাডাল্ট সাইটের পেজে লাইক আপনি পাবেনই পাবেন৷ এছাড়া দেখে নিন প্রোফাইল ডিটেলস৷ সেখানে ওই ব্যক্তির স্কুল-কলেজ এবং অন্যান্য সব ডিটেলস খুঁটিয়ে দেখুন৷ সঙ্গে দেখুন ছবির অ্যালবামগুলি৷ তাহলেই প্রোফাইল সম্পর্কে একটা ধারণা জন্মাবে আপনার৷

মোবাইল নম্বর দেওয়া আছে কী না:

কোনও মেয়ের আইডি-তে যদি দেখা যায় তাতে এক বা একাধিক মোবাইল নম্বর দেওয়া আছে, তাহলে বুঝতে হবে ওই আইডিটা ফেক। কারণ কোনও মহিলাই ফেসবুকে তার নম্বর পাবলিক করে রাখেন না। দিলেও সেটা ‘ওনলি মি’ করে রাখেন যাতে কেউ দেখতে না পারে।

ইউজার নেম আর আইডি নেম:

এই বিষয়টা কিন্তু অনেকেই ভুল করে ফেলেন। ফেক আইডি বানাতে গিয়ে অনেকেই এটা মাথায় রাখেন না৷ ইউজার নেমটি বেশি বদলানো যায় না। তাই এটা হতে পারে আপনার জন্য ফেক বা আসল আইডি বোঝার অন্যতম উপায়। মিলিয়ে দেখুন ইউজার নেম এবং সেই আইডিটির নাম একই কিনা।