• বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ৫ পৌষ ১৪২৫
  • ||

শতায়ু হওয়ার রহস্য!

প্রকাশ:  ১২ মার্চ ২০১৮, ১১:০৮
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট

রঙিন এই পৃথিবীতে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে কে না চায়? কিন্তু সকলের আয়ু সমান নয়। নানা কারণে মানুষের আয়ু দিন দিন কমছে। পরিবেশ, প্রকৃতি এক্ষেত্রে অন্যতম নিয়ামক। আপনি যদি চীন দেশে চান তবে দেখবেন সেখানকার বাসিন্দারাদের অনেকেই বয়সে সেঞ্চুরি করেও দিব্বি বেঁচে-বর্তে আছে। কেননা, ওই দেশের মানুষ সঠিক খাদ্যভ্যাস ও জীবনচর্চ্চা অনুসরণ করে। শতায়ু হওয়ার রহস্য এটাই। এজন্য চীনাদের জীবনযাপন অনুকরণ করতে পারেন। জেনে নিন দীর্ঘদিন সুস্থ ও সুন্দর থাকায় উপায়।

শরীরের গঠন বা ফিগারের ওপর গুরুত্ব দিন শরীরের গঠন বা ফিগার ভাল থাকলে মানুষকে সুন্দর দেখায়। বয়স বাড়লে ফিগার আর আগের মতো সুন্দর থাকে না। এসময় স্থুলকায় হয়ে যাবার আশঙ্কাও দেখা দেয়। তাই বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের উচিত আরও বেশি ফিগারসচেতন হওয়া। নিত্যদিনের খাওয়া-দাওয়ার ওপর খেয়াল করা উচিত আমাদের। চীনে একটি মজার কথা প্রচলিত আছে। সেটা হলো যদি তুমি নিজের মুখ নিয়ন্ত্রণ করতে না-পারো, তবে পা চালাও। এর মানে যদি খাওয়া একটু বেশি হয়, তবে সেই অতিরিক্ত খাবার হেঁটে তথা ব্যায়াম করে বার্ন করতে হবে।

বেশি বেশি হাসুন মন ভালো থাকলে শরীরও ভালো থাকে। আর মন ভালো থাকার প্রতিক্রিয়া হচ্ছে হাসি। চীনের এক প্রবাদে আছে, যারা বেশি বেশি হাসেন, তাদের বয়স অন্তত দশ বছর কমে যায়। আসলে হাসি আমাদের শরীর ও মনকে প্রসন্ন করে; আমাদের মানসিক উত্তেজনা প্রশমিত করে। শরীরের রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমরা যখন যে অবস্থাতেই থাকি না কেন, প্রতিদিন প্রচুর হাসতে হবে। হাসির কোনো কারণ নেই? তবুও হাসুন।

নিয়মিত শরীরচর্চা করুন

স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমাদের চীনে আরও একটি কথা প্রচলিত আছে, আর তা হলো, ‘দীর্ঘজীবন চাইলে বেশি বেশি পায়চারি করুন’। আসলে এখানে পায়চারি বা হাঁটা বলতে শরীরচর্চাকে বোঝানো হয়েছে। নিয়মিত শরীরচর্চা আমাদের শরীর সুন্দর ও সুঠাম রাখে এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরচর্চা হিসেবে পায়চারি করা, আস্তে দৌড়ানো, থাইজি মুষ্টিযুদ্ধ, শরীরগঠনমূলক ব্যায়াম ও ইউগা ইত্যাদি ভালো।

সময়মত ঘুমান, রাত জাগবেন না তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে খুব ভোরে জেগে ওঠার অভ্যাস একজন মানুষকে স্বাস্থ্যবান রাখে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, আধুনিক সমাজে আমাদের অনেকেরই রাত জাগার বদভ্যাস গড়ে উঠেছে। আর স্বাভাবিকভাবেই এ-অভ্যাসের কারণে আমাদের অনেককেই প্রতিনিয়ত নানান সমস্যার মোকাবিলা করতে হয়। কেউ কেউ তো শেষ পর্যন্ত ইনসোম্‌নিয়া বা নিন্দ্রাহীনতায় ভুগছেন। সুতরাং, দেরিতে না-ঘুমানোর সংকল্প করুন এবং তা মনে রাখার চেষ্টা করুন।

/এসএম

apps