• রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

‘আমরা আর বার্ন ইউনিট দেখতে চাই না’

প্রকাশ:  ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭, ০০:০৬ | আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭, ০০:২০
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মোহাম্মদ শাহেদ বলেন, আমরা একটি সুস্থ ধারার রাজনীতি দেখতে চাই। দেশের তরুণ প্রজন্ম তাই চায়। জঙ্গিবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। আমরা এখন ডিজিটাল হয়েছি। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করা উচিত। আমাদের বিরোধী দলগুলোকেও এই সমস্যা নিয়ে আর্ন্তজাতিক পরিসরে কথা বলতে হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিলেন। কিন্তু আর কতদিন এটা আমরা বেয়ার করব সেটা ভাবতে হবে। শনিবার সকালে পূর্বপশ্চিমবিডি.নিউজ আয়োজিত ‘ন‌তুন বছর: কেমন হবে ভোট রাজনীতি শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। পূর্বপশ্চিম প্রধান সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এ মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্ণেল (অব.) ফারুক খান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহাবুবুর রহমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কায়সার, সাবেক নির্বাচন কমিশনার বিগ্রে. জে. (অব.) সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক কূটনীতিক মহিউদ্দিন আহমেদ, সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, নারী সংগঠক খুশি কবির, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জে. (অব.) আব্দুর রশিদ, জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক সভাপতি খন্দকার মনিরুল আলম, ৭১ টেলিভিশনের পরিচালক বার্তা সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, রাজনৈতিক বিশ্লেষক মোহাম্মদ শাহেদ, বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানা, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর ব্যরিস্টার তুরিন আফরোজ প্রমুখ। এছাড়াও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না অনুষ্ঠানে এসে যোগ দেয়ার পর তিনি অসুস্থতাবোধ করায় চলে যান। মোহাম্মদ শাহেদ আরো বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি কেন আস্থা রাখতে পারছি না। পৃথিবীর কোথাও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান রয়েছে কিনা আমাদের জানা নেই। ২০১৮ সাল অনেক চ্যালেঞ্জিং। আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি। তাই জনগণের জন্যই ভোটে আসতে হবে। আমরা আর বার্ন ইউনিট দেখতে চাই না।