• শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫
  • ||

ঢাকা মহানগর উত্তর আ.লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঠেকাতে তৎপরতা

প্রকাশ:  ০২ জানুয়ারি ২০১৮, ১৭:৫৯
উৎপল দাস
প্রিন্ট

ঢাকা মহানগর উত্তরের আওয়ামী লীগের সমন্বয়ক ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে.কর্ণেল (অব.) ফারুক খানকে না জানিয়েই ২৬ টি থানা, ৪৬ টি ওয়ার্ড ও ৯ টি ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছিলেন মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমতউল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান। সেই কমিটি ঠেকাতে গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবারো অভিযোগ দিয়েছেন মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের একটি অংশ। মঙ্গলবার বিকালে দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাজহারুল আনামের নেতৃত্বে মহানগর, থানা ও ওয়ার্ডের প্রায় ২০ জন নেতা দেখা করেন।

এসময় তারা শেখ হাসিনার কাছে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের ২৬ টি থানা, ৪৬ টি ওয়ার্ড ও ৯ টি ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ কমিটির মধ্যে এখনো যেসব কমিটিতে অভিযুক্তরা রয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে নতুন করে কমিটি করার দাবি জানান।

তবে, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী সভানেত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শ নিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের অনুমতি নিয়ে কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান। পূর্বপশ্চিমকে তিনি বলেন, আমরা ২৭ ডিসেম্বর নেত্রীর অনুমতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছি। এখন যারা এ কমিটি নিয়ে কথা বলছেন তারা অন্য কোনো স্বার্থ উদ্ধারের জন্যই কথা বলছেন।

এদিকে, দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাজহারুল আনাম বলেন, আমরা প্রথমে যখন গত বছরের ৫ জুলােই কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল তখনো নেত্রীর (শেখ হাসিনার) জামায়াত-বিএনপি ঘেষা লোকদের কমিটিতে ঠাঁই দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগ করার পর তা স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে যাচাইবাছাই করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নেত্রী। কিন্তু ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমত উল্লাহ এবং সাদেক খান দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের না জানিয়েই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন। আমরা আজ (মঙ্গলবার) নেত্রীকে জানিয়েছি, তিনি আমাদের নতুন করে কমিটি করে লে. কর্ণেল ফারুক খানের কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ২৭ ডিসেম্বর মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমতউল্লাহ ও আমি নেত্রীকে জানিয়েই কমিটির অনুমোদন দিয়েছিলাম। নেতারা আজ মঙ্গলবার নেত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। এই কমিটিতে কোনো বিতর্কিত লোক ঠাঁই পাননি বলেও জানান তিনি।

এদিকে, গত বছরের জুলাইয়ের ৫ তারিখ সপ্তাহে কমিটি ঘোষণা করা হলেও বিতর্কিতদের ঠাঁই দেয়ার কারণে সেসব কমিটি স্থগিত করা হয়েছিল।