• রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫
  • ||

ছাত্রদলকে ঐক্য,শৃঙ্খলা ও ঈমানদার হতে হবে: খালেদা

প্রকাশ:  ০২ জানুয়ারি ২০১৮, ২১:৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
ছবি: জীবন আহমেদ

ঈমানদারদের দিয়ে ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের কথা বলেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, যাকে যেখানে যে দায়িত্ব দেয়া হোক ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সুশৃঙ্খল হতে হবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তোমাদের তিনটি জিনিস মনে রাখতে হবে। ঐক্য, ঈমানদার ও শৃঙ্খলা। এই তিনটি জিনিস বিরাজমান থাকলে সব জয় করা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ছাত্রসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আবারও গতানুগতিক স্লোগান না দিয়ে স্লোগান পরিবর্তন করার নির্দেশ দেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, দেশের মানুষের সমস্যা নিয়ে তোমাদের স্লোগান তৈরি করতে হবে। তোমাদের কত ভাই গুম-খুন হয়েছে, এসব নিয়ে নতুন নতুন স্লোগান সৃষ্টি করতে হবে।

নেতাকর্মীদেরকে উদ্দেশ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, চেহারা দেখানোর জন্য ছবি তুললে হবে না। কর্মসূচি ঘোষণার পর ১০/১২ জন ছবি তুলে বলতে চাও আমি রাস্তায় ছিলাম। তোমরা কিভাবে কর্মসূচি পালন করছো এসবের খোঁজ-খবর রাখছি। যারা সত্যিকারার্থে কর্মসূচি সফল করার জন্য কাজ করে যাচ্ছো তাদের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এর আগে সকাল ১০টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সংগঠনটির নেতাকর্মীরা প্রবেশ করতে চাইলে পুলিশের অনুমতি নেই জানিয়ে অডিটরিয়ামে প্রবেশ করতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বাধা দেয়া হয়। পরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চত্বরে অবস্থান নিয়ে স্লোগানে মিছিল অব্যাহত রাখেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এমন পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়া ছাত্রসমাবেশে অংশ নেবেন কিনা তা নিয়ে নেতাকর্মীরা সংশয়ে থাকলেও বিকেল পৌনে ৪টায় গুলশানের বাসভবন থেকে সমাবেশস্থলের দিকে রওনা করেন বেগম জিয়া।

বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন পৌঁছানোর পর মূল অডিটরিয়ামের সামনে প্রায় ঘণ্টাখানেক গাড়িতেই অবস্থান করেন খালেদা জিয়া। তারপর ৫টা ২০ মিনিটে খুলে দেয়া হয় অডিটরিয়ামের গেইট। বেলা ২টায় শুরু হওয়া ছাত্রসমাবেশ বিকেল সাড়ে ৫ টায় শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিল সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর রাজীব আহসানকে সভাপতি ও আকরামুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫৩ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে ৭৩৬ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। এদিকে সংগঠনটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিটির মেয়াদ দুই বছর থাকলেও বর্তমান কমিটি ইতোমধ্যে তাদের মেয়াদাত্তীর্ণ করেছে।

/সাজ্জাদ