• সোমবার, ২১ মে ২০১৮, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
  • ||

নতুন বাস অপারেটর নিযুক্ত বাংলাদেশ-ভারতের ৫ রুটে

প্রকাশ:  ০৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১০:৩৮ | আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১০:৪৫
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
ফাইল ছবি
প্রিন্ট

ভারতের সঙ্গে পাঁচ আন্তর্জাতিক রুটে নতুন বাস অপারেটর চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিসি)।

এর মধ্যে ঢাকা-কলকাতাসহ চারটি রুটে চলবে ‘এন আর ট্রাভেলস’ (শ্যামলী এন্টারপ্রাইজ), আর ঢাকা-আগরতলা রুটে ‘রয়েল কোচ’।

আন্তর্জাতিক রুটের টেন্ডার কমিটির প্রধান বিআরটিসির পরিচালক (অর্থ) আমজাদ হোসেন জানান, টেন্ডারের মাধ্যমে এন আর ট্রাভেলস চারটি ও রয়েল পরিবহন এক রুটে বাস অপারেটর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছে।

এন আর ট্রাভেলস বাস অপারেটর হিসেবে এখন থেকে ঢাকা-কলকাতা, ঢাকা-শিলং-গোয়াহাটি, ঢাকা-খুলনা-কলকাতা, এবং ঢাকা-আগরতলা রুটে চলবে রয়েল কোচ।

বিআরটিসির পরিচালক আমজাদ হোসেন জানান, দরপত্রের মাধ্যমে চূড়ান্ত হওয়ার পর চুক্তি সাক্ষর হয়েছে।

বুধবার নতুন বাস অপারেটর দু'টিকে কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ দিন লাগবে নতুন অপারেটর হিসেবে ‘এন আর ট্রাভেলস’ ও ‘রয়েল কোচ’ বাংলাদেশ-ভারত রুট গুলোতে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে।

বাংলাদেশ-ভারত চারটি রুটের নব নিযুক্ত অপারেট এন আর ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী রাকেশ ঘোষ বলেন, সুষ্ঠু দরপত্র প্রক্রিয়ার পর আমরা ‘অ্যাপয়নমেন্ট লেটার’ হাতে পেয়েছি। শিগগিরই বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে এন আর ট্রাভেলস যাত্রী পরিবহন করা শুরু করবে।

রাকেশ ঘোষ আরও জানান, আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও উন্নত যাত্রীসেবা এবং আরামদায়ক বাস পাবেন যাত্রীরা।

বিআরটিসি সূত্র জানায়,  নতুন বাস অপারেটর নিযুক্ত করার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব বাড়বে। তবে যাত্রী ভাড়ার পরিবর্তন হবে না; আগের মতো ভাড়া থাকবে।

পাঁচটি রুট পেতে গত বছরের জুলাই মাসে বিআরটিসির ডাকা টেন্ডারে অংশ নিয়েছিলো শ্যামলী পরিবহন , গ্রিন লাইন পরিবহন, শ্যামলী এন্টারপ্রাইজ (এন আর ট্রাভেলস), সেজুতি ট্রাভেলস এবং রয়েল কোচ।

পরে ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে উচ্চ আদালতে করা মামলার রুল জারির কারণ দেখিয়ে দরপত্র উন্মুক্ত করা বন্ধ রাখা হয়। এ অবস্থায় পাঁচ মাস টেন্ডার প্রক্রিয়া স্থগিত ছিলো। পরে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। এরপর নতুন বছরে দরপত্র প্রক্রিয়া কার্যক্রম সম্পন্ন করে এন আর ট্রাভেলস ও রয়েল কোচকে নতুন বাস অপারেটর নিযুক্ত করা হয়।

১৯৯৯ সালে ঢাকা-কলকাতা রুটে সৌহাদ্য বাস সার্ভিসের জন্য বাংলাদেশের বিআরটিসি ও ভারতের ডব্লিউ বিটিসির কর্তৃপক্ষ উভয় প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বাস সেবা চালু করে। তখন শ্যামলী পরিবহনকে ঢাকা-কলকাতা রুটে সরাসরি বাস সার্ভিস পরিচালনার জন্য অপারেটর নিয়োগ করা হয়।

পরে ২০০২ সালে টেন্ডারের ‘ফোরস্টার কনসোটিয়াম’ নামে একটি কোম্পানিকে বিআরটিসির পক্ষে ঢাকা-কলকাতা রুট পরিচালনার জন্য অপারেটর নিয়োগ করা হয়।

এরপরে ২০০৭ সালে নতুন করে শ্যামলী পরিবহনকে ঢাকা-কলকাতা রুটে বাস সার্ভিস পরিচালনার জন্য অপারেটর নিয়োগ করা হয়। এরপর থেকে শ্যামলী পরিবহন কলকাতাসহ  চারটি রুটে ও পরীক্ষামূলকভাবে গ্রিনলাইন নতুন চালু হওয়া ঢাকা-খুলনা কলকাতা রুটে বাস চালিয়ে আসছিলো। প্রতি দুই বছর পরপর উন্মুক্ত টেন্ডারের মাধ্যমে বাস পরিচালনার জন্য অপারেটর নিয়োগ করা হয়।

সূত্র: বাংলানিউজ

/নাঈম