Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বুধবার, ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ৩ মাঘ ১৪২৫
  • ||

খালেদার জবাবে হাসিনা 'আপনি' বুঝেন না

প্রকাশ:  ০৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১৭:৩১ | আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১৮:০২
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon
ফাইল ছবি

ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে মন্ত্রিসভায়। একজন মন্ত্রী বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে আনলে তিনি বলেছেন, ওনি (খালেদা জিয়া) সব কিছু বুঝেন না, কিন্তু না বুঝে যা খুশি বলে দেন।’

বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে পদ্মা সেতু নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের এ প্রসঙ্গটি আসে। মন্ত্রিসভার এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

একজন মন্ত্রী জানান, পদ্মাসেতু নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের বক্তব্যটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনেন একজন মন্ত্রী মঙ্গলবার খালেদা জিয়া বলেছিলেন, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু বানানো হচ্ছে। এই সেতুতে ঝুঁকি আছে। কেউ যেন এতে না উঠে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় এই প্রসঙ্গটি তোলেন একজন মন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উনি (খালেদা) এসব কিছু বোঝেন না। না বুঝে যখন যা খুশি তাই বলেন। তিনি যেটুকু বুঝেছেন সেটুকু বলেছেন। তাই তার এ বক্তব্যের ব্যাপারে আমি আর কী বলব?’।

ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিটি হয় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে। কিন্তু সেখানে সকাল থেকে তালাবদ্ধ করে রাখা হয় মূল ফটক। বিএনপির পক্ষ থেকে এ জন্য রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় থাকা এসএসএফকে দায়ী করা হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার বৈঠকে জানান, মিলনায়তনের ভাড়া পরিশোধ না করায় এই কাজ করেছে ইনস্টিটিউশন কর্তৃপক্ষ। আর সব জানতে পেরে ওবায়দুল কাদের ইনস্টিটিউশনের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে মিলনায়তন খুলে দেয়ার ব্যবস্থা করেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তালাবন্ধের ঘটনাটি জানার পর আমি আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে জানাই। এটা কেন হচ্ছে, এতে সরকারের সমালোচনা হবে। বিষয়টি তাকে দেখতে বলি। ওবায়দুল কাদের ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সভাপতি সঙ্গে কথা বলে। কেন মিলনায়তনের দরজা বন্ধ রাখা হয়েছে, এটা সরকারের সমালোচনা হচ্ছে এ সব এ বিষয়গুলো ওবায়দুল কাদের তাদের জানায়।’

‘তারা তখন ওবায়দুল কাদেরকে জানায়, ভাড়ার টাকা পরিশোধ করেনি বলে দরজা বন্ধ রাখা হয়েছে। ওবায়দুল কাদের তখন তাদের বলেছে, ভাড়ার টাকা পরিশোধ হয়েছে কি হয়নি সেটা পরের বিষয়। তাদের যেহেতু ভাড়া দেওয়া হয়েছে তাড়াতাড়ি দরজা খুলে দিন। এটা নিয়ে সরকারের সমালোচনা হবে। এরপর দরজা খুলে দেয় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন।

/সাজ্জাদ

ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এত টাকা কোথায় পান?

apps