• বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৩ বৈশাখ ১৪২৫
  • ||
  • আর্কাইভ

যে কারণে ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে বয়সসীমা পরিবর্তন হচ্ছে!

প্রকাশ:  ১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:৫২ | আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:৫৮
উৎপল দাস
প্রিন্ট

২৯ তম জাতীয় সম্মেলনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে আনুষ্ঠানিকভাবে। উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী এ ছাত্র সংগঠনটির  নতুন নেতৃত্ব আগামী ৩১ মার্চ এবং ১ এপ্রিল এ সম্মেলনের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে। শুক্রবার বর্ধিত সভা করে ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন। তবে এবারের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে বয়সসীমা আবারো পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। গঠনতন্ত্রের ধারা ৫ এর ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২৭ থাকলেও ২৯ বছরের মধ্যেই নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়টি চূড়ান্ত ছিল এতদিন। আগামী সম্মেলনে তা বাড়িয়ে ৩০ করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

কেন বয়সসীমা বাড়ানো হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য পূর্বপশ্চিমকে জানিয়েছেন, এ বছর সরকারের জন্য নির্বাচনের বছর। এদিক বিবেচনায় ছাত্রলীগের মতো বৃহৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের বেশ সতর্ক। ক্লিন ইমেজে, নেতৃত্বদানে পরিপক্কতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া হতে পারে। নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতত্বের বয়সসীমা আরো এক বছর বাড়তে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে, ছাত্রলীগে বয়সসীমা নিয়ে সাবেক নেতাদের একটি বড় অংশের দাবি, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি ‘ম্যাচিউরড’ (পরিপক্ব) কমিটি। সেক্ষেত্রে এবারও বয়সসীমা ২৯ থেকে এক বছর বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা। আবার সময় মতো সম্মেলন না হওয়ায় যারা বয়স খুঁইয়েছেন তাদের দাবি- বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই বছর পূর্তির দিন থেকে বয়সের হিসাব করার। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৬ ও ২৭ জুলাই ২৮তম জাতীয় সম্মেলনে দুই বছর মেয়াদে সাইফুর রহমান সোহাগকে সভাপতি ও এস এম জাকির হোসাইনকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।


/ইউডি/