Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ৬ মাঘ ১৪২৫
  • ||

মিতুর লাশ আনতে নেপালে ভাই ও স্বামী

প্রকাশ:  ১৭ মার্চ ২০১৮, ০০:১৭ | আপডেট : ১৭ মার্চ ২০১৮, ০০:৫৭
রাজশাহী প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত বিলকিস আরা মিতুর লাশ দেশে আনতে নেপাল গেছেন তার ভাই মাসুদ রানা মনির ও স্বামী আজিজুল হক। মিতু রাজশাহী নগরীর নওদাপাড়া এলাকার গোলাম কিবরিয়া ও মনোয়ারা বেগমের মেয়ে। তার পাসপোর্ট নম্বর বিসি-০০৪৯০৩০।

কাঠমান্ডুর বাংলাদেশের দূতাবাসের বরাত দিয়ে শুক্রবার বিকালে দেশের একটি প্রথম শ্রেণির দৈনিকের অনলাইনের খবরে বলা হয়, মিতুর লাশ নিতে কেউ যোগাযোগ করেনি। তার ব্যাপারে কোনো তথ্যও পায়নি দূতাবাস। মিতুর সম্পর্কে কিছু জানলে দূতাবাসের মুঠোফোনে জানানোরও পরামর্শ দেওয়া হয় ওই সংবাদে।

তবে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মিতুর বাবা গোলাম কিবরিয়া জানান, সংবাদটির ব্যাপারে তিনিও শুনেছেন। কিন্তু মিতুর লাশ আনতে শুক্রবার সকালে তার ছেলে ও জামাই ঢাকা থেকে একটি ফ্লাইটে নেপালে গেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার মিতুর স্বামী আজিজুল হক নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ আসেন।

গোলাম কিবরিয়া জানান, গত ৯ মার্চ নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে আসেন মিতু। তবে তারা বিষয়টি জানতেন না। মিতু তাদের জানিয়েছিলেন, ১৪ মার্চ সন্ধ্যায় তিনি নিউইয়র্ক থেকে দেশে আসবেন। এ জন্য তিনি তাদের ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ডেকেছিলেন।

মিতুর বাবা জানান, ১৫ মার্চ মিতুর জন্মদিন ছিল। ঢাকায় তিনি পরিবারের সঙ্গে দিনটি উদযাপন করতে চেয়েছিলেন। এ জন্য আগে আগেই তারা স্বামী-স্ত্রী রাজশাহী থেকে ঢাকায় চলে গিয়েছিলেন। এখন তারা জানতে পেরেছেন, নিউইয়র্ক থেকে ঢাকায় আসার পর মিতু তার এক বান্ধবীর সঙ্গে নেপাল বেড়াতে যাচ্ছিলেন। নেপাল থেকে মিতু যেদিন ফিরতেন সেদিনই তিনি পরিবারের সদস্যদের বিমানবন্দরে ডেকেছিলেন।

মিতুর স্বামী আজিজুল হক ফায়ারম্যানস অ্যাসোসিয়েশন অব দ্য স্টেট অব নিউইয়র্কের একজন স্টাফ নার্স। তার দেশের বাড়ি চট্টগ্রামে। তবে আজিজুল মিতুর দ্বিতীয় স্বামী। রাজশাহী নগরীর উপশহর এলাকার বাসিন্দা এমরান হোসেনের প্রথম বিয়ে হয়েছিল মিতুর। তার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর আজিজুলকে বিয়ে করে নিউইয়র্ক পাড়ি দিয়েছিলেন মিতু।

গত ১২ মার্চ নেপালের কাঠমান্ডুতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৫০ জন নিহত হন। আহত হন আরও ২১ জন। এ বিমানে মিতু ছাড়াও রাজশাহীর আরও তিন দম্পতি ছিলেন।

তারা হলেন- শিরোইল এলাকার বাসিন্দা হাসান ঈমাম, তার স্ত্রী নাহার বিলকিস বানু, উপশহর এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী আক্তারা বেগম এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইমরানা কবির হাসি ও তার স্বামী রকিবুল হাসান। এদের মধ্যে হাসি ছাড়া বাকি সবাই নিহত হয়েছেন।

apps