• শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫
  • ||

দেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে মহেশখালীতে

প্রকাশ:  ১২ জুলাই ২০১৮, ০১:০৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ৩৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মিত হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র। ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষম এই এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করবে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই)। বুধবার এ বিষয়ে জেনারেল ইলেকট্রিকের সঙ্গে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পিডিবির এই প্রকল্পটির পাশাপাশি বাংলাদেশের বেসরকারি সামিট কর্পোরেশনের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণেও বিনিয়োগ করছে জেনারেল ইলেকট্রিক ।

মহেশখালীতে এ প্রকল্পের জন্য ৫ হাজার ৬০০ একর ভূমি উন্নয়নে ১৬০ কোটি ডলার এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ২৮০ কোটি ডলার ব্যয় হবে। ভূমি উন্নয়ন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে চার দশমিক চার বিলিয়ন (৪৪০ কোটি) ডলার; যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটিই হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি।

জেনারেল ইলেকট্রিক পিডিবির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সইয়ের আগে একই দিন বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানি সামিট করপোরেশন ও জাপানের মিতসুবিশি করপোরেশনের সঙ্গে মিলে ২৪ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের ঘোষণা দেয়।

বিদ্যুৎ ভবনে পিডিবির পক্ষে চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ এবং জিএই পাওয়ারের প্রেসিডেন্ট ও সিইও রাসেল স্টোকস সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেন। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট, বিদ্যুৎ সচিব আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, দেশের একক কোনো প্রকল্পে এটি হতে যাচ্ছে অন্যতম বড় বিনিয়োগ। পিডিবির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জিএই পাওয়ারের প্রেসিডেন্ট রাসেল স্টোকস বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে অবদান রাখতে পেরে তারা আনন্দিত।

মহেশখালীতে এই বিনিয়োগ প্রকল্পের আওতায় জিইর প্রধান পণ্য ৯এইচএ গ্যাস টারবাইন ব্যবহার করে ৬০০ মেগাওয়াট করে মোট দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার চারটি ইউনিট, মোট তিন লাখ ৮০ হাজার মিটার গ্যাস উৎপাদন ক্ষমতার দুটি এলএনজি টার্মিনাল, এক লাখ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতার একটি তেলের টার্মিনাল ও ৩০০ মেগাওয়াটের একটি এইচএফওভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।