• রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮, ৪ ভাদ্র ১৪২৫
  • ||

নীলক্ষেতে সংঘর্ষের পর বই মার্কেটে ‘আটকা’ ঢাবি ছাত্র উদ্ধার

প্রকাশ:  ২০ জুলাই ২০১৮, ০০:২১
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রিন্ট

নীলক্ষেতে দোকানিদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বই মার্কেটে আটকে পড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাফায়াতকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন নিউমার্কেট থানার ওসি আতিকুর রহমান জানিয়েছেন। সাফায়াত জিয়াউর রহমান হলের প্রথম বর্ষের ছাত্র।

জিয়াউর রহমান হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ লিমন বলেন, সাফায়াত রাত ৯টার দিকে বই কিনতে গেলে এক দোকানদারের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর সাফায়াতকে আটকে ফেলে দোকানিরা। এ খবর জানতে পেরে জিয়াউর রহমান হলের দ্বিতীয় বর্ষের তিন শিক্ষার্থী ওই মার্কেটে যায়। তখন দেকানিরা মারধর করে তাদেরও আটকে রাখে।

ওই সময় উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে সাফায়াত ঘটনাস্থল থেকে সরে মার্কেটের ভিতরে একটি মসজিদে আশ্রয় নেন।

শিক্ষার্থীদের মারধর করে আটকে রাখার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন হলের শতাধিক ছাত্র নীলক্ষেতের বইয়ের মার্কেটের দিকে এগিয়ে আসেন। তারা নীলক্ষেত মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতারা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদের সেখানে আটকে দেন। ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসাইনও এ সময় সেখানে হাজির হয়েছিলেন।

এরপর লিমনসহ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা পুলিশের সঙ্গে মার্কেটের ভিতরে গিয়ে ওই তিন শিক্ষার্থীকে ছাড়িয়ে আনেন। এ সময়ও মার্কেটের ভিতরের মসজিদে লুকিয়ে ছিলেন সাফায়াত। তিনি মোবাইলে মসজিদের ভিতরে অবস্থানের কথা জানালেও কোন জায়গার মসজিদ তা জানাতে পারছিলেন না।

পরে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতারা গিয়ে মার্কেটের মসজিদ থেকে তাকে বের করে আনেন।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মারধর করে আটকে রাখা দোকানিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন লিমনসহ ছাত্রলীগ নেতারা।

নিউমার্কেট থানার ওসি বলেছেন, যারা ছাত্রদের মারধর করেছে তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেছেন, “বিষয়টি আমি নিজেই দেখছি। কাল সকালে নিউ মার্কেট থানার সহকারী কমিশনার সাজ্জাদকে নিয়ে নীলক্ষেত মার্কেট মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে আমরা বসব। সেখানে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হবে।”

-একে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,সংঘর্ষ,উদ্ধার