• মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
  • ||

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষার্থী কারাগারে

প্রকাশ:  ০৯ আগস্ট ২০১৮, ২০:১১ | আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০১৮, ২০:১৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ ছাত্রকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার এই আদেশ দেন।

এর আগে হামলা ও ভাচুরের অভিযোগে আটক ছাত্রদের দুই দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের কাছে ছাত্রপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তা নাকচ করে ছাত্রদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ সময়ে আদালতের এজলাসে ছাত্রদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের কেউ কেউ আদালতের আদেশ শোনার পরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) আদালত আটক ২২ ছাত্রের প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আটক ছাত্ররা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইষ্ট ওয়েস্ট, নর্থ সাউথ, সাউথ ইস্ট ও ব্র্যাকের শিক্ষার্থী।

পুলিশ আদালতকে জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আসামিদের কাছ থেকে তাদের নাম ও ঠিকানা জানা গেছে। এছাড়া মামলার ব্যাপারে তারা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। সেসব তথ্যের ভিত্তিতে অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করা হবে।

পুলিশ আরও জানায়, আটক শিক্ষার্থীরা প্রাথমিকভাবে হামলার কথা স্বীকার করেছেন। মামলার তদন্তের জন্য পুনরায় তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন হতে পারে।

তবে পুলিশের এসব দাবিকে অস্বীকার করেছেন তাদের আইনজীবীরা। আদালতের কাছে তারা দাবি করেন, শিক্ষার্থীরা ভাঙচুর কিংবা হামলার সঙ্গে জড়িত না। বরং পুলিশ কীভাবে ছাত্রদের নির্যাতন করেছে। পুলিশ মামলায় তা উল্লেখ করেনি। মামলার এজাহারের বক্তব্য মিথ্যা। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিশু ছাত্ররা যে আন্দোলন করেছে, তাতে এসব শিক্ষার্থী সায় দিয়েছে। যারা ভাঙচুর করল পুলিশ তাদের ধরল না।

আটক শিক্ষার্থীরা হলেন, রিসালাতুল ফেরদৌস, রেদোয়ান আহমেদ, রাশেদুল ইসলাম, বায়েজিদ, মুশফিকুর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ, রেজা রিফাত আখলাক, এএইচএম খালিদ রেজা, তারিকুল ইসলাম, নূর মোহাম্মাদ, সীমান্ত সরকার, ইকতিদার হোসেন, জাহিদুল হক ও হাসান। আর ভাটারা থানার মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্ররা হলেন, আজিজুল করিম, মাসাদ মরতুজা বিন আহাদ, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান, সাবের আহম্মেদ, মেহেদী হাসান, শিহাব শাহরিয়ার, সাখাওয়াত হোসেন ও আমিনুল এহসান।

/রবিউল

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়,আদালত
apps