• বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
  • ||

নির্বাচনের পূর্বশর্ত চূড়ান্ত করেছে বিএনপি, তারেকের অনুমোদন পেতে অপেক্ষা

প্রকাশ:  ১৪ আগস্ট ২০১৮, ০৪:৩৪ | আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৮, ০৯:২৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণের পূর্বশর্ত চুড়ান্ত করেছে বিএনপি। তবে এখনই তা প্রকাশ করতে রাজি নন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের কাছে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের এইসব শর্ত তুলে ধরার আগে তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে। পাশাপাশি এ বিষয়ে কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মতামত নিতে চায় বিএনপি।

দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পূর্বশর্ত নির্ধারণে গত শনি (১১ আগস্ট) ও সোমবার (১৩ আগস্ট) দুই দিনের বৈঠকে ব্যাপক পর্যালোচনার পর একমত হয়েছেন। রাতে ইস্থায়ী কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মতি চুড়ান্ত করা নির্বাচনের পূর্বশর্তগুলো লিখিতভাবে ইমে্ইলে তারেক রহমানের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

সুত্র জানায়, দুদিন ব্যাপি দীর্ঘ বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যেসব পূর্বশর্তে একমত হয়েছেন, সেগুলো হলো- ‘কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মুক্তি, কারাগারে থাকা নেতাকর্মীদের মুক্তি ও মামলাগুলো প্রত্যাহার করা, বর্তমান দশম সংসদ ভেঙে দেওয়া, বর্তমান নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজন করা। এছাড়া আরও কিছু দাবি যুক্ত হতে পারে চূড়ান্ত তালিকায়।

লন্ডনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে পাঠানো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার এসব শর্ত অনুমোদিত হওয়ার অপেক্ষোয় রয়েছে বিএনপি নেতারা। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে এর অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে ধারণা করছেন তারা।শাপাশি যেকোনও কৌশলে মত নেওয়া হবে ছয় মাসের বেশি কারাগারে থাকা খালেদা জিয়ার। এছাড়া দুদিনব্যাপী স্থায়ী কমিটির এই বৈঠকে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কর্মসূচির ধরন নিয়ে আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, খালেদা জিয়া গত ৩ ফেব্রুয়ারি দলের নির্বাহী কমিটির বৈঠকেও আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তার দাবি তুলে ধরেছিলেন। দাবিগুলো হচ্ছে: ১. নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। ২. সংসদ ভেঙে দিতে হবে। ৩. নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। ৪. ভোটকেন্দ্রে সব ভোটারকে আসার সুযোগ করে দিতে হবে। ৫. ভোটের সময় মাঠে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দিতে হবে এবং ৬. কোনও কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা চলবে না।

নির্বাচনের পূর্বশর্ত,বিএনপি
apps