• রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

‘ম্যানার শেখানো’ নিয়ে ঢাবিতে ছাত্রলীগের দু'পক্ষের উত্তেজনা

প্রকাশ:  ১৪ আগস্ট ২০১৮, ১৯:২২
ঢাবি সংবাদদাতা
প্রিন্ট

শোক দিবসের আলোচনা শেষে নিজ দলের দুই কর্মীকে (কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের অনুসারী) থাপড়ানোর অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে ওই ঘটনা ঘটে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে টিএসসি মিলনায়তনে আলোচনাসভার আয়োজন করে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগ। সভা শেষ হওয়ার পরই হাতাহাতি শুরু হয়।

জানা যায়, টিএসসি মিলনায়তনে সভাশেষে জাহাঙ্গীর কবির নানকের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সভাপতি শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম বের হয়ে যান। এতে পেছনে পড়ে যান ঢাবি শাখার সভাপতি সনজিত।

এদিকে নানকের সঙ্গে বাকিরা থাকায় তাঁদের অনুসারীদের উপস্থিতিতে সেখানে বিরাট জটলা বেধে যায়। এ জটলার কারণে সনজিত টিএসসি থেকে বের হতে পারছিলেন না। বের হওয়ার সময় একুশে হলের একজনের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় সনজিত তাঁকে থাপ্পড় দেন। নানক চলে যাওয়ার পরে সনজিত শোভনকে বলেন, আপনার ছেলেদের কোনো ম্যানার শেখান নাই? তারা আমাকে বের হওয়ার জায়গা দেয় নাই কেন?

এ সময় সূর্যসেন হলের আসলাম নামের একজন প্রতিবাদ করে বলেন, কী ম্যানার শেখাতে হবে?’ তখন সনজিত আসলামকে মারধর করেন। এর পরই দুই পক্ষে ঝামেলা শুরু হয়। প্রায় ১০ মিনিটের মতো এ হাতাহাতি ও মারামারি চলে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এদিকে সাদ্দাম নিশ্চিত করেছেন যে, হাতাহাতিতে জড়ানো ব্যক্তিরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের জুনিয়র নেতাকর্মী। তবে তিনি ঘটনাস্থলে তাঁর উপস্থিতির বিষয়ে অস্বীকার করেছেন। যদিও প্রমাণ দেওয়ার পর স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, টিএসসিতে গোলযোগ হয়েছে বলে আমার জানা নেই। জুনিয়রদের মধ্যে মনে হয় কথা কাটাকাটি হয়েছে। তবে সিনিয়ররা কিছুই করেনি। আমরা তা দেখিনি। গোলযোগের সময়ে আমরা সেখানে ছিলাম না। আমরা আসার পরে তা হয়ে থাকতে পারে।

ছাত্রলীগ