• রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে মালদ্বীপ

প্রকাশ:  ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:১১
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রিন্ট

কোচ পিটার সেগরেটের সঙ্গে ঝামেলা চলছে খেলোয়াড়দের। অনেকেই তাকে কোচ হিসেবে চান না। স্বভাবতই খেলায় এর ছাপ পড়ার কথা! কিন্তু মাঠে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। এ মালদ্বীপ যেন আরও ক্ষুরধার, আরও ধারালো।

নেপালকে পাত্তাই দিল না দলটি। হিমালয় কন্যাকে’ ৩-০ গোলে হারিয়ে সাফ সুজুকি কাপের ফাইনালে উঠে গেল দ্বীপদেশটি। এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপখ্যাত টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠল তারা।

ঢাকায় হওয়া আগের দুটি আসরেই ফাইনাল খেলেছে মালদ্বীপ দেশটি। ২০০৩ সালে হেরেছে বাংলাদেশের কাছে, ২০০৯ সালে ভারতের কাছে। ঢাকায় তৃতীয়বার ফাইনাল খেলার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিল দলটি।

তবে দ্বীপ দেশটি আছে আভ্যন্তরীন সমস্যায়। সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগেই মালদ্বীপের মিডিয়া খবর প্রকাশ করেছে সাফের পর বরখাস্ত হচ্ছেন দলটির জার্মান কোচ পিটার সেগার্ট। মালদ্বীপ ফুটবল ফেডারেশনের পাঁচ নির্বাচকের মধ্যে তিনজনই নাকি তাকে বরখাস্ত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

গ্রুপ পর্বে কি হয়েছে আর মিডিয়ায় কী লেখা হয়েছে সেদিকে নজর না দিয়ে নতুন শুরুর কথা জানান মালদ্বীপের কোচ, ‘আমি ওসব নিয়ে ভাবছি না। পেছনে কি হয়েছে সেটা ভুলে যাবো। আমরা এখন ভবিষ্যত নিয়ে ভাবছি।’

খেলার নবম মিনিটের মাথায় প্রথম গোলটি করেন আকরাম আব্দুল ঘানি। এরপর পিছিয়ে পড়ে আক্রমণের গতি বাড়ায় নেপাল। মহুর্মুহু আক্রমণে প্রতিপক্ষকে ব্যতিব্যস্ত রাখে দলটি। তবে গোল আদায় করে নিতে পারেননি নেপালিজরা। ফলে ১-০ গোলে পিছিয়ে বিরতিতে যায় তারা।

এরপর আরও দুই গোল করে মালদ্বীপ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গোল শূন্যই থাকে নেপাল। প্রথমার্ধে ১ গোলে এগিয়ে থাকা মালদ্বীপ ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় শেষ ৬ মিনিটে। ৯ মিনিটে অধিনায়ক আকরাম আবদুল ঘানির ফ্রি-কিক থেকে করা গোলে এগিয়ে যায় সাবেক চ্যাম্পিয়ন মালদ্বীপ। পিছিয়ে পড়া নেপাল ম্যাচে ফিরতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও গোল আদায় করতে পারেনি। মালদ্বীপের গোলরক্ষক মোহাম্মদ ফয়সাল বেশ কয়েকটি আক্রমণ ফিস্ট করে রুখে দিয়েছিলেন। সুযোগ নষ্ট করেছেন নেপালের দুই ফরোয়ার্ড বিমল ঘারতি মাগার ও ভারত খাওয়াজ।

ম্যাচে ফিরতে নেপাল যখন শেষ ১০ মিনিটে মরণ কামড় দেয় তখন পাল্টা আক্রমণ থেকে ৮৪ ও ৮৭ মিনিটে দুটি গোল করে মালদ্বীপকে ফাইনালে তোলার সব ব্যবস্থা করে ফেলেন ইব্রাহিম হাসান ওয়াহেদ।

নেপাল,মালদ্বীপ,সাফ সুজুকি,টুর্নামেন্ট