• বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
  • ||

১ কেজি পাঙাশের দামে ৮ কেজি ইলিশ!

প্রকাশ:  ১২ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:১৪ | আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:৩৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

বৈরি আবহাওয়াতে রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির দামের ওপর তেমন কোন প্রভাব পড়েনি। তবে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে মাছের বাজার। গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে মাছের দাম বেড়েছে বেশ। বাজারে পাঙ্গাস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮শ’ টাকা। অন্যদিকে ১ কেজি পাঙাশের দামে মুন্সীগঞ্জে মিলছে ৮ কেজি ইলিশ।

শুক্রবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে তেলাপিয়া মাছের কেজি বিক্রি হয় ১৪০-১৫০ টাকায়, বোয়াল মাছ আকারভেদে ২৫০-৫০০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হয়। এ ছাড়া বড় আকারের রুই মাছ ৪০০ টাকা কেজি, ছোট আকারের ১৫০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। কাতল ১৫০-৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। বড় গলদা চিংড়ি ৪০০-৫০০ টাকা, ছোট ২৫০ টাকা কেজি। চিতল মাছ বড় ৪৫০-৫০০ টাকা, ছোট ২০০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। তেলাপিয়া বড় ১২০ টাকা, ছোট ৮০-৯০ টাকা; কার্পু ১০০-১৫০ টাকা; পোয়া মাছ ২০০-২২০ টাকা; ব্রিগেড মাছ ১০০-১২০ টাকা, গ্রাস কার্প ১৫০-১৭০ টাকা, শিং ২০০-৫০০ টাকা, কোরাল ২৫০-৫০০ টাকা, পাঙাশের ১০০-১২০ টাকা, সাগরের বাইলা ২৫০-৪০০ টাকা, শোল ২৫০-৫০০ টাকা, লইট্টা ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে গিয়ে দেখা যায়, এক মাছ ব্যবসায়ী বিভিন্ন মাছের পাশাপাশি একটিমাত্র পাঙাশ নিয়ে বসে আছেন। পাঙাশটির ওজন প্রায় ছয় কেজি। দাম জানতে চাইলে এই ব্যবসায়ী বলেন, কেজি পড়বে ৮০০ টাকা। কিন্তু তার মাছের দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে থেকে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন পাঙাশ মাছটির দাম জানতে চান। দাম শুনেই যেন আগ্রহীরা ভড়কে যাচ্ছিলেন। ফিরতি কোনো দাম না বলেই সবাই অন্যদিকে হাঁটা শুরু করেন।

পাঙাশ মাছের দাম এতো কেন- এমন প্রশ্ন করা হলে এই ব্যবসায়ী বলেন, ভালো জিনিস খেতে হলে দাম তো একটু বেশি দিতেই হবে। এটা চাষের পাঙাশ না। সম্পূর্ণ দেশি পাঙাশ। এর স্বাদ যে কোনো মাছের থেকে ভালো। এ মাছে তেল অনেক। কোনো গন্ধও নাই। কম দামের পাঙাশে এক ধরনের গন্ধ থাকে।

অন্য দিকে, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলার বিভিন্ন বাজারে ইলিশের দেখা না মিললেও গ্রামাঞ্চলে বাড়িতে বসেই কেনা যাচ্ছে তা। বস্তায় করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ইলিশ বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। যে ইলিশ গত সপ্তাহেও ছিল ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি সে ইলিশ এখন ১০০ টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর থেকে প্রজনন মৌসুমে মা মাছ রক্ষায় ২২ দিন ইলিশ শিকার ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ কারণেই ওই অঞ্চলে ইলিশের এমন হঠাৎ দরপতন।

/একে/ওএফ/এসএফ

ইলিশ
apps