• বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
  • ||

২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ: স্পিকার

প্রকাশ:  ১২ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

তরুণ প্রজন্মকে দেশ গড়ার কাজে সম্পৃক্ত হয়ে আগামী দিনে একটি সম্ভাবনাময় সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বাধীন বাংলাদেশ রেখে গেছেন, যে সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, আসুন তাঁর এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী দিনে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি আত্মমর্যাদা সম্পন্ন দেশ ও জাতির আসনে অধিষ্ঠিত করি। এটাই হোক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপনের প্রত্যয়।

জাতীয় জাদুঘরে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে হাসুমনি’র পাঠশালা আয়োজিত চিত্রাংকন কর্মশালা ও সুঁচিকর্ম প্রদর্শনী উদ্বোধনকালে উদ্বোধক হিসেবে স্পিকার এসব কথা বলেন।

হাসুমণি’র পাঠশালার সভাপতি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরেণ্য শিল্পী অধ্যাপক সমরজিৎ রায় চৌধুরী ও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. মাকসুদুর রহমান পাটওয়ারী, স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় জাদুঘরের সচিব মো. শওকত নবী ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্বিবদ্যালয়ের ফিল্ম এবং টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জুনায়েদ আহমেদ হালিম।

স্পিকার বলেন, আজকের বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের দিকে পা বাড়িয়েছে। এখন নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ, ২০২১ সালে রূপকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ হবে, ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে।

তিনি বলেন, এই যে নেতৃত্বের পথ ধরে একটি জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া এবং এই জাতির মেধা প্রতিভা ও অপর সম্ভাবনাকে বিকশিত করার যে ক্ষেত্রটি প্রস্তুত করা সে কাজটি অত্যন্ত সুনিপুণভাবে করে চলেছেন শেখ হাসিনা এবং সেখানে তাঁর অত্যন্ত সাহসিকতা সম্পন্ন দৃঢ় চেতা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষের পরিচয় পাওয়া যায়।

শিরীর শারমিন চৌধুরী বলেন, এই উত্তরণ ও অগ্রগতির পথে দেশকে এগিয়ে নেয়ার কাজটি অত্যন্ত দুরূহ ছিল। ১৯৭৫ সালে পর দেশে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করা এবং পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি নিরন্তর সংগ্রাম করে গেছেন। গণতান্ত্রিক পরিবেশে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি এগিয়ে যাচ্ছে।

এই অগ্রগতি ও সংগ্রামের পথচলার মধ্যে বারবার তাঁর জীবনে আঘাত এসেছে। কিন্তু কোন কিছুই তাঁকে নিবৃত করতে পারেনি। তিনি তাঁর লক্ষ্যে অবিচল থেকে কাজ করে গেছেন, ঠিক যেমনিভাবে তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধুকেও বারবার কারারুদ্ধ করে, এমনকি ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে গিয়েও নিবৃত করা যায়নি। বাংলার মানুষের স্বাধীনতার জন্যে তিনিও অবিচল থেকে কাজ করে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর ৭১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৭১টি আঁকা প্রতিকৃতি ও জামালপুরের ১০১টি সুচিশিল্প নিয়ে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধন শেষে স্পিকার, সংস্কৃতিমন্ত্রীসহ অন্য অতিথিরা শিল্পকর্মগুলো ঘুরে দেখেন। সপ্তাহব্যাপী এ প্রদর্শনী জাতীয় জাদুঘরে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নলিনীকান্ত ভট্টশালী মিলনায়তনে প্রদর্শিত হবে।সূত্রঃ বাসস।

স্পিকার
apps