• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
  • ||

আমরা আ. লীগকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করি না: নজরুল

প্রকাশ:  ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:৩৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
ফাইল ছবি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘আমরা তো আওয়ামী লীগকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করি না। যখনই মিটিং মিছিলে যাই তখনই সামনে থাকে পুলিশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ না। অতএব আমাকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে এখন সরকারের বিভিন্ন বাহিনীকে, আওয়ামী লীগকে না।’

শুক্রবার (১৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে আফসার আলী স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মরহুম অ্যাডভোকেট আফসার আলীর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী ২৯ তারিখে আরেকটি রায় হবে, কী রায় হবে আমরা জানি না। কিন্তু যেভাবে দ্রুত এ রায় দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, তাতে অনুমান করা যায়। সেখানেও সরকারের যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, তারই প্রতিফলন ঘটবে।’

তিনি বলেন, ‘কণ্ঠকে রুদ্ধ করার জন্য একের পর এক কালাকানুন করা হচ্ছে। যারাই গণতন্ত্রের কথা বলে, গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাজা দেওয়া হচ্ছে। গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং গুম খুন ইত্যাদির মাধ্যমে বিরোধী দলকে দমন করা হচ্ছে।’

বিএনপির এ সিনিয়র নেতা বলেন, ‘যে সরকারের শাসনামলে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না তার আমলে জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এটা জাতি বিশ্বাস করে না। যাদের কাছে আইনি অস্ত্র আছে (আইনশৃঙ্খলা বাহিনী) তাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, ভোট চুরি করে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হয়েছে।’

নজরুল বলেন, ‘সংবিধানে আছে নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করবে সহায়ক সরকার। কিন্তু দলীয় সরকার থাকলে তারা সহায়তা করবে না, প্রভাবিত করবে। আমরা সহায়ক সরকার চাই, প্রভাবিত করার সরকার চাই না।’

এ সময় অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য হাস্যকর এবং তার বক্তব্য শুনে সবাই হাসে দাবি করে তিনি বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী বলেছেন, কামাল হোসেন জিরো। মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে বলতে চাই, বিচারপতি সাত্তারের বিরুদ্ধে আপনার দল ও অন্যান্য বিরোধী দল মিলে কামাল হোসেনের চেয়ে যোগ্য কাউকে খুঁজে পান নাই, তাকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করেছিলেন। আর আর আজকে তিনি জিরো। বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আসম আবদুর রব যিনি আগের বার আপনার সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রী ছিলেন তিনিও জিরো। আর আপনি সরকারি চাকরি করে, এরশাদের উপদেষ্টা হয়ে আজ মন্ত্রী হয়ে প্লাস হয়ে গেলেন। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে আপনাদেরকে বারবার পরাজিত করা দল বিএনপিও জিরো হয়ে গেল। আর প্লাস শুধু কি আপনাদের শাসনামলের রাজনৈতিক দলগুলো? সেগুলোকে প্লাস রাখার ব্যবস্থাই তো রাখেন নাই।’

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাঈল হোসেন বেঙ্গল, অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার, জিনক্বাপ সভাপতি লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার প্রমুখ।

-এতে

নজরুল ইসলাম খান
apps