• বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
  • ||

খালেদাকে কারাগারে নেয়ার বৈধতা নিয়ে রিটের আদেশ বৃহস্পতিবার

প্রকাশ:  ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ১৯:৪৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
ফাইল ছবি

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল (বিএসএমএমইউ) থেকে কারাগারে পাঠানোর বৈধতা নিয়ে করা রিটের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এই বিষয়ে আদেশের জন্য জন্য বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) দিন ধার্য করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আদালতে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।

শুনানিতে এজে মোহাম্মদ আলী বলেন, বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শেষ না করে কারাগারে পাঠানো তার মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। উনার সুচিকিৎসার জন্য হাইকোর্টের নির্দেশে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার চিকিৎসা চলা অবস্থায় কারাগারে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। চিকিৎসা শেষ না করে মামলার কথা বলে কারাগারে নেয়া হয়েছে। তিনি খুবই অসুস্থ। এ অবস্থায় বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা প্রয়োজন।

খালেদা জিয়াকে গুরুতর অসুস্থ উল্লেখ করে আইনজীবী এম মাহবুব উদ্দিন খোকন আদালতে বলেন, তাকে আদালতে হাজির করে শারীরিক অবস্থা দেখুন। তবেই বুঝা যাবে তার শারীরিক অবস্থা কেমন। এ সময় অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা খালেদা জিয়াকে উপযুক্ত চিকিৎসা দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে এ আবেদনের বিরোধিতা করেন। পরে এ বিষয়ে আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ১১ নভেম্বর আইনজীবী নওশাদ জমির খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে কারাগারে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট দায়ের করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, কারা কর্তৃপক্ষ, বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষসহ ৯ জনকে রিটে বিবাদী করা হয়। বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দিতে নির্দেশনা চেয়ে এর আগে খালেদা জিয়ার করা রিট আবেদনটি গত ৪ অক্টোবর নিষ্পত্তি করে কিছু নির্দেশনা ও পর্যবেক্ষণসহ আদেশ দেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের আদেশের পর চিকিৎসার জন্য ৬ অক্টোবর তাকে বিএসএমএমইউতে নেয়া হয়। এরপর থেকে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে প্রায় একমাস চিকিৎসার পর গত ৮ নভেম্বর বিএসএমএমইউ থেকে তাকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেয়া হয়। এখন তিনি সেখানেই আছেন।

/আরাফাত

খালেদা জিয়া
apps