• রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫
  • ||

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরলো ১৪ বাংলাদেশী

প্রকাশ:  ০৫ জানুয়ারি ২০১৮, ১৪:০৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

দালালের খপ্পরে পড়ে অবৈধ পথে ভারত গিয়ে আটক হয় শিশুসহ ১৪ বাংলাদেশী নারী পুরুষ। আটকের পর বিভিন্ন মেয়াদে ভারতে কারাভোগের পর বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে তারা। এদের মধ্যে ৮ নারী, ৫ পুরুষ ও ১ জন শিশু রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার সময় ভারতের হরিদাসপুর (পেট্রাপোল) ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদেরকে হন্তান্তর করেন।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, যারা ফেরত এসেছে তাদেরকে ভাল চাকরির আশায় দালালরা অবৈধ পথে ভারতে নিয়ে যায়। সেখানে পুলিশের কাছে ধরা পড়ে বিভিন্ন মেয়াদে (২ থেকে-৪ বছর) কারাভোগের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফিরেছে। এর মধ্যে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাওড়া লিলুয়া হোমে ৮ জন নারী এবং বারাসাতের কিশালয় শেল্টার হোমে ৫ জন পুরুষ ও ১ জন শিশু আটক ছিল। দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরে চিঠি চালাচালির মাধ্যমে তারা দেশে ফেরত আসে।

যারা ফেরত এলো তারা হচ্ছে, চাঁদপুর জেলার আব্দুর রশিদের মেয়ে সাথি আক্তার (২০), বাগেরহাট জেলার সালাম মীরের মেয়ে মুক্তা আক্তার (১৬), যশোর জেলার শার্শা থানার মান্নান শেখের ছেলে সেলিম (১৭), খুলনা জেলার দৌলতপুর এলাকার আনোয়ারের মেয়ে আখি খাতুন (২১), কবির শেখের ছেলে আবু হাসান (২), ঢাকার পল্লবী থানার হারুনুর রশীদ এর মেয়ে হালিমা খাতুন (২১), হাসান আহমেদের মেয়ে সালমা আক্তার (২২), মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মান্নান মজুমদারের মেয়ে শিরীনা বেগম (২১), সুভাস চন্দ্র বিশ্বাসের মেয়ে শিমু বিশ্বাস (১৫), গাজীপুর জেলার টঙ্গী থানার আজিজুল হকের মেয়ে আকলিমা খাতুন (১৮), যশোর সদরের এরশাদ আলী মোড়লের ছেলে ইসরাফিল (১৫), শাহবুদ্দিন এর ছেলে হায়দার আলী (১৪), সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার সাহেব আলী শেখের ছেলে মমিনুর শেখ (১৫) ও নাসির শেখ (১৩)।

ফেরত আসা ১৪ জনের মধ্যে আহসানিয়া মিশন ৫ জনকে, যশোর রাইটস ৫ জনকে এবং মহিলা আইনজীবী সমিতি ৪ জনকে গ্রহণ করে যশোরে নিজস্ব শেল্টার হোমে রাখবে। পরে তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান মহিলা আইনজীবী সমিতির কাউন্সিলর নুরুন নাহার।

/আরআর/কেকে