• বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
  • ||

'খালেদা জিয়া মাফ করলেও আমি করব না'

প্রকাশ:  ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৯:২৯ | আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৯:৪৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি বলেছেন,খালেদা জিয়া বলেছেন তিনি ক্ষমতায় গেলে সব মাফ করে দেবেন। কিন্তু তার দলের নেতাকর্মীরা যারা মামলা খেয়েছেন, জেল কেটেছেন তারা মাফ করবেন? একজন কর্মীকে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম সে বলেছেন খালেদা জিয়া মাফ করার কে?

শনিবার সকালে পূর্বপশ্চিমবিডি.নিউজ আয়োজিত নতুন বছরঃকেমন হবে ভোট রাজনীতি শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

পূর্বপশ্চিম প্রধান সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এ মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্ণেল (অব.) ফারুক খান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহাবুবুর রহমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কায়সার, সাবেক নির্বাচন কমিশনার বিগ্রে. জে. (অব.) সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক কূটনীতিক মহিউদ্দিন আহমেদ, সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, নারী সংগঠক খুশি কবির, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জে. (অব.) আব্দুর রশিদ, জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক সভাপতি খন্দকার মনিরুল আলম, ৭১ টেলিভিশনের পরিচালক বার্তা সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, রাজনৈতিক বিশ্লেষক মোহাম্মদ শাহেদ, বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানা, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর ব্যরিস্টার তুরিন আফরোজ প্রমুখ। এছাড়াও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না অনুষ্ঠানে এসে যোগ দেয়ার পর তিনি অসুস্থতাবোধ করায় চলে যান।

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, রাজনীতিবিদরা আমরা একে অপরকে চোর বানাই। নিজেদের মধ্যে কাঁদা ছোড়াছুড়ি করতে করতে আমাদের অবস্থা করুন হয়ে গেছে। রাজউকের একজন পিয়নের একাধিক প্লট আছে। আমি জানতে চাই কয়জন রাজনীতিবিদের প্লট আছে? তিনি বলেন, যারা নির্বাচনে হারে তারা কখনই নির্বাচন ভাল হয়েছে বলে স্বীকার করে না। আমাদের দুই দল নিজেদের মাছে লড়তে লড়তে তারা দুই দলই গণতন্ত্রের কাছে হেরে গেছে। জাতীয় পার্টি দেশে তৃতীয় শক্তি হতে পারত। কিন্তু এ দুইটি দলই বাংলাদেশে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির উত্থান হতে দেয় না।এখানে তাদের মধ্যে দারুন মিল। বিপদে পড়লেই চেতনার কথা বলা হয়। ব্যাংকিং খাতে লুটপাট হচ্ছে। ফারমার্স ব্যাংক লুট করে ফেলা হয়েছে তখন কোথায় তাকে চেতনা।

নারী অধিকারের কথা বলেন, আজকে নারীর নিরাপত্তা কোথায়? ২১টি জঙ্গীবিরোধী অপরাধে ক্রসফায়ারে অনেককেই মারা গেছেন। একজন নারীকে বাস থেকে নামিয়ে গণধর্ষণ করে মেরে ফেলা হয়েছে। সেখানে তো ধর্ষকদের গুলিতে মারা হয়না। একদেশে দুই আইন চলতে পারে না। মানবাধিকার কমিশন । কিসের কমিশন। কমিশন করে তো আমরা মুক্তিযুদ্ধ করিনি।

তিনি আরো বলেন, র্বাচন নিয়ে কথা বলা কঠিন। রাজনীতি একটা ঝুঁকির খেলা। বেলা শেষে চুরি-ডাকাতি কাঁধে নিয়ে আমাদেরকে নমিনেশনের জন্য যেতে হয়। যখন দেখি একজন ব্যবসায়ীকে ধরে এনে নমিনেশন দেয়া হয় তখন আর রাজনীতি করতে ইচ্ছা করে না। একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর দুই দলের দুরত্ব তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

/মজুমদার

apps