• বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

সাক্ষাতকারে শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চমক দেখাবে জবি ছাত্রলীগ

প্রকাশ:  ০২ জানুয়ারি ২০১৮, ২৩:২২
মাহমুদুল তুহিন
প্রিন্ট

বুড়িগঙ্গার কোলঘেষে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে ২০০৫ সালে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের উচ্চতর শিক্ষার প্রসারে সুনামের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল। মঙ্গলবার বাংলাদেশের ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় অনলাইন পোর্টাল পূর্বপশ্চিমবিডি.নিউজের সাথে। আলাপকালে তিনি জানান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরব, ঐতিহ্য এবং সাফল্যের কথা। পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অবদানের কথাও জানান। এমনকি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চমক দেখানোর কথাও বলেছেন। সাক্ষাতকারের চুম্বক অংশগুলো পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো-

পূর্বপশ্চিম: ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের আয়োজন এবং কার্যক্রম কি ?

শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেলঃ গৌরব, সংগ্রাম আর ঐতিহ্যের ৭০ বছরে পদার্পণ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭০তম জন্মদিনে পুরান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বাবুবাজার, সদরঘাট এলাকায়সহ বিভিন্ন জায়গায় আলোকসজ্জার পাশাপাশি ১০ হাজার ফেস্টুন ও পোস্টার করা হবে। এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোকসজ্জা করা হবে। আমরা সংগঠনের ইতিহাস-ঐহিত্য দেশবাসীকে জানাতে চাই। এছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ব্যানার এবং ফেস্টুনের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে চাই। জবি ছাত্রলীগ এবার চমক দেখাবে সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের মাধ্যমে।

পূর্বপশ্চিম: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম অথবা পরিকল্পনা কি ? শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেলঃ আগামী ২৭ ডিসেম্বর নির্বাচন। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময় আমি এবং আমার সভাপতি তরিকুল দায়িত্বে এসেছি। অতীতে ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত যেমন পেট্রোল বোমাবাজি, নাশকতা, দেশবিরোধি কাজ করেছে তা যেন সামনের নির্বাচনে পুরান ঢাকায় না করতে পারে তাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ পুরান ঢাকাবাসীকে সাথে নিয়ে প্রতিরোধ করবে।

পূর্বপশ্চিম: কমিটি হওয়ার পর আপনারা কি কি কাজ করছেন ?

শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেলঃ কমিটি হওয়ার পর আমরা ১১দফা দাবি জানাই যেখানে শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা, পরিবহন সমস্যা সংকট নিরসনের দাবী ছিল। আমাদের দাবীর প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতিমধ্যে নতুন ৪টি বাস নামানোর সিদ্বান্ত নিয়েছে। দেশরত্ন প্রধান্মন্ত্রী শেখ হাসিনা কেরানীগঞ্জে ২০০ একর জমি দিয়েছে আবাসন সংকট নিরসনের জন্য। এছাড়াও আমরা টিএসসি দখলমুক্ত করে সেখানে শিক্ষার্থীদের আড্ডা দেয়ার জন্য বেঞ্চ এবং ওয়াইফাই এর ব্যবস্থা করেছি। অতীতেও ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে তাদের জন্য কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।

পূর্বপশ্চিম: সংগঠনে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির অনুপ্রবেশকারী আছে বলে শোনা যায়। এই ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অবস্থান কি?

শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেলঃ কোন দুষ্কৃতিকারীর স্থান নেই ছাত্রলীগে। অতীতে ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবির করেছে কিন্তু বর্তমানে ছাত্রলীগে যুক্ত এমন কেউ নেই। যদি এমন কাউকে পাওয়া যায় তার বিরুদ্বে সাংগঠিনক নয় বরং আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে, যেহেতু ছাত্রদল ও শিবির কোনো সংগঠনের মধ্যে পড়ে না।