• সোমবার, ২৮ মে ২০১৮, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
  • ||

বিধবার কপালে সিঁদুর দিলো লম্পট!

প্রকাশ:  ০২ জানুয়ারি ২০১৮, ১৭:২১ | আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০১৮, ১৭:২৮
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
প্রিন্ট
তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণের চেষ্টার পর হাসপাতালে ঘুমন্তবস্থায় মাথায় সিঁদুর পরিয়ে স্ত্রী দাবি করেছে এক লম্পট। এর পূর্বে দলবল নিয়ে হাসপাতাল থেকে অপহরণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় বলে জানান বিধবা।

এমন লোমহর্ষক ঘটনা ঘটায় কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল চা বাগানের দিপু লাইনে মৃত কৈলাশ কানুর ছেলে শস্কর কানু (২৭) এবং তার দুইসহযোগী।

বর্তমানে কুলাউড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই হতভাগী বিধবা।

মঙ্গলবার দুপুরে বিধবার সাথে কথা বলে জানা যায়, দুই-তিন বছর আগে স্বামী পরলোকগমন করেন। এরপর থেকে বাগানে কাজ করে তিন সন্তান নিয়ে একাই বসবাস করেন বিধবা। গত ৩১ ডিসেম্বর ভোরে আসবাবপত্র পরিষ্কার করতে বাড়ির পাশে নদীতে গেলে বাবুল গলার মফলার দিয়ে বিধবার চোখ বেঁধে বাগানের ভিতরে নিয়ে বেদম মারপিট করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে বিধবার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে পালিয়ে যায় লম্পট বাবুল। পরে আহত বিধবাকে স্থানীয়রা কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করেন।

কান্নাজড়িত কন্ঠে পূর্বপশ্চিমকে তিনি জানান, সোমবার বিকেলে দলবল নিয়ে আমাকে অপহরণ করতে আসে লম্পট বাবুল। এমনকি হাসপাতাল থেকে জোরপূর্বক ছাড়পত্র দিয়ে আমাকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে মঙ্গলবার ভোরে হাসপাতালের বেডে ঘুমন্ত অবস্থায় মাথায় সিঁদুর দিয়ে স্ত্রী দাবি করে টানা হেছড়া করে। পরে আশেপাশের বেডে চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বজনদের তোপের মুখে পালিয়ে যায় বাবুল।

এমন ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতাল পরিদর্শন করেন কুলাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) বিনয় ভূষণ রায়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেলে বিধবা বাদি হয়ে তিন জনের নাম উল্লেখ করে কুলাউড়া থানায় অভিযোগ করেন।

কুলাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) বিনয় ভূষণ রায় পূর্বপশ্চিমকে জানান, লম্পট বাবুলকে দ্রুত আটকের চেষ্টা চলছে।

/নাঈম