• রবিবার, ২৭ মে ২০১৮, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
  • ||

সাতক্ষীরায় আ. লীগ নেতাকে গুলি

প্রকাশ:  ০২ জানুয়ারি ২০১৮, ২৩:৪৪
মীর খায়রুল আলম
প্রিন্ট
সাতক্ষীরার দেবহাটার সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন দূর্র্বত্তর গুলিতে গুরুত্বর আহত হয়েছেন। 

তিনি সখিপুর ইউনিয়নের তিলকুড়া গ্রামের শেখ আমজাদ হোসেনের পুত্র। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রতিদিনের ন্যায় কাজ শেষ করে বাড়ির পথে মোটরসাইকেল যোগে রওনা দেন তিনি। এসময় বাড়ি হতে কয়েকগজ দুরে সখিপুর রাজারবাড়ি মোড় এলাকায় পৌঁছালে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে গতিরোধ করে পরপর ৩টি গুলি ছোড়ে।

 এসময় তাদের ছোড়া গুলিতে শেখ ফারুক হোসেন রতনের বামপাশের বুকে গুলিবৃদ্ধ হন। আহত চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগে নেতা রতনকে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তারা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। এদিকে, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা এবং একেজোড়া জুতা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় হাসাপাতালে ছুটে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল আসাদ, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী কামাল হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মী, সাধারণ জনতা ভীড় জমায়। পরে কালিগঞ্জ সার্কেলের এএসপি মির্জা সালাউদ্দীন আহম্মেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

উল্লেখ্য যে, গত ২০১৩ সলের মার্চ মাসে সখিপুর কেবিএ কলেজ মাঠের পূর্ব পার্শ্বে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সে সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মৃত্যুন্ডাদেশ প্রদান করায় দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরের তান্ডব শুরু করে। 

ঘটনার দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হো্েসন রতন বাড়ি থেকে সখিপুর মোড় হয়ে কেবিএ কলেজের সামনে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা তার ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এটিও সেই ঘটনার পুনাবৃত্তি হয়েছে বলে স্থানীয়রা ও আওয়ামীলীগের নের্তৃবৃন্দরা ধারণা করছেন। 

এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মঙ্গলবার রাতে চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতার উপর হামলার ঘটনায় কাউকে সানাক্ত এবং আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ প্রকৃতদোষীদের গ্রেপ্তার করতে সাড়াশি অভিযান চালাচ্ছে বলে দেবহাটা থানার ওসি কাজী কামাল হোসেন জানিয়েছেন।