• মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
  • ||

প্রথম দিনেই এ কি বললেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার!

প্রকাশ:  ০৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১৬:০৮ | আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১৬:০৯
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট
ফাইল ছবি

মন্ত্রণালয়ে কোনও ইংরেজি চিঠি আসতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বই দেওয়া হোক না কেন; আমার মন্ত্রণালয়ে কোনও ইংরেজি চিঠি আসতে পারবে না। আমার মন্ত্রণালয়ের কোন জায়গায় শুধু ইংরেজি ব্যবহার করা যাবে না। দ্বিভাষা ব্যবহার করা যাবে, তবে অবশ্যই বাংলা ভাষাকে বাদ দিয়ে নয়।

মঙ্গলবার রাতে মন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণের পর বঙ্গভবন থেকে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) অফিসে যান বিসিএসের সাবেক সভাপতি মোস্তাফা জব্বার। সেখানে বিসিএসের বর্তমান কমিটির নেতারা তাকে অভিনন্দন জানান। এরপর এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধিত্ব করছি। আজকের বাংলাদেশে আমাদের বেশ কিছু অর্জন রয়েছে। এ যুগ ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের। এখনই যদি ঠিকভাবে আমরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে না পারি, তাহলে পৃথিবীর বুকে জায়গা করে নেওয়া কঠিন হবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলে কোন কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেবেন –এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারকে ডিজিটাল সরকার এবং আইসিটি খাতকে ডিজিটাল শিল্প হিসেবে রূপান্তর করব। ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি তৈরি হয়ে গেছে। কিছু কিছু জায়গায় আমাদের গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন আছে। সেদিকে আমি নজর দেবো।

ইন্টারনেটকে ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের বাহক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তৃণমূলে দেখেছি, ইন্টারনেটের মূল্য, গতি, সেবার জায়গাগুলোতে চরম বিশৃঙ্খলা, অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে। আমি যে জায়গায় কাজ করতে চাই, সেটা হচ্ছে ইন্টারনেটকে জনগণের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার বানানো। প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে মন্ত্রণালয়েরই দায়িত্বই দিন না কেন, আমার যে প্রায়োরিটির জায়গাগুলো আছে, সেগুলোতে আমি কাজ করবো।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, দেশের সফটওয়্যার ও সেবাখাতে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কাজ করে থাকে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের অগ্রাধিকার নিশ্চিতে আমি কাজ করব। দেশের ডিজিটালাইজেশনে দেশি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠান কাজ করবে। শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিশু শ্রেণি থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা নিয়ে কাজ করব।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সরকারের মেয়াদের চার বছরের মাথায় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শাহজাহান কামাল ও তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন কাজী কেরামত আলী।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের শপথ পড়ান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

apps