• মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৪
  • ||

টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগের দুই কমিটি নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে!

প্রকাশ:  ০৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১৭:৩০ | আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১৮:১৩
তপু আহম্মেদ, টাঙ্গাইল
প্রিন্ট

বঙ্গের আলীগড় খ্যাত টাঙ্গাইলের সরকারি সা’দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ছাত্রলীগের দুইটি কমিটি অনুমোদন দিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগ। এতে কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।

জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর মিলন মাহমুদকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয় টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের একপক্ষ। এতে স্বাক্ষর করেন টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, যুগ্ম-আহ্বায়ক তানভীরুল ইসলাম হিমেল ও শফিউল আলম মুকুল। কমিটি প্রকাশ করার পরপরই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। এই কমিটিকে অবাি ত ঘোষণা করে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রলীগের পদ বি ত পক্ষ।

এদিকে, মঙ্গলবার সা’দত কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রতন মিয়াকে আহ্বায়ক করে ৪৯ সদস্য বিশিষ্ট অপর একটি কমিটির অনুমোদন দেয় টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগ আরেক পক্ষ। এতে স্বাক্ষর করেন, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক রনি আহম্মেদ এবং রাশেদুল হাসান জনি। সা’দত কলেজে ছাত্রলীগের এই পাল্টাপাল্টি কমিটি নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।

এবিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আহ্বায়ককে ছাড়া যুগ্ম-আহ্বায়করা কোন কমিটি অনুমোদন দিতে পারেন না। তাই রতন মিয়াকে আহ্বায়ক করে যে কমিটি করা হয়েছে তা অবৈধ।

এবিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি টাঙ্গাইলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সোহান খান বলেন, জেলা ছাত্রলীগ তাদের কোন সাংগঠনিক ইউনিটে যদি কমিটি দিতে চায় তাহলে অব্যশই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকে অবগত করতে হয়। মিলন মাহমুদকে আহ্বায়ক করে যে কমিটি দেয়া হয়েছে সেটার বিষয়ে আমি জানিনা। এই কমিটির বিপরীতে জেলা ছাত্রলীগের দুই যুগ্ম-আহ্বায়ক আরেকটি কমিটি দিয়েছে। আমি চাই টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সমন্বয়ের প্রেক্ষিতে সা’দত কলেজে একটি বিতর্কহীন কমিটি গঠন করা হোক।

apps