Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৯, ৮ মাঘ ১৪২৫
  • ||

সোশাল মিডিয়া একটু ঘেঁটে দেখলেই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে

প্রকাশ:  ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০২ | আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ০০:৫৪
মোহাম্মদ এ. আরাফাত
প্রিন্ট icon

সোশাল মিডিয়া একটু ঘেঁটে দেখলেই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে ‘রাজাকার শাবক’ কারা!

কোটা সংস্কারের আন্দোলনটি একটি যৌক্তিক, অসহিংস ও নিরীহ সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন ছিলো। সরকারের পক্ষ থেকেও তাদের দাবির বিষয়গুলো বেশিরভাগই গ্রহণ করা হয়েছিলো এবং বাকিগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিলো।

এখানে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা একটা পক্ষ ছিলো এবং সরকার একটা পক্ষ ছিল। উভয় পক্ষই চেয়েছিলো একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান।

তবে একটা তৃতীয় পক্ষও ছিলো ঘাপটি মেরে। এই তৃতীয় পক্ষটি সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে সরকারকে বিপদে ফেলতে চেয়েছিলো। তৃতীয় পক্ষটি কখনোই সমাধান চায়নি।

(১) তৃতীয় পক্ষ সমাধান চায়নি বলেই এরা একজন আন্দোলনকারীর মিথ্যা মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছিলো।

(২) তৃতীয় পক্ষ সমাধান চায়নি বলেই এরা ছাত্রলীগ নেত্রী কর্তৃক একজন ছাত্রনেত্রীর পায়ের রগ কেটে দেয়া হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়েছিলো।

(৩) তৃতীয় পক্ষ সমাধান চায়নি বলেই এরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়র উপাচার্যের বাসায় মুখোশ পরে ঢুকে জঙ্গী কায়দায় আক্রমণ করেছিলো।

(৪) তৃতীয় পক্ষ সমাধান চায়নি বলেই এরা চারুকলায় ঢুকে ভাঙ্গচুর করেছিলো।

কোটা সংস্কারের মত একটি যৌক্তিক, শান্তিপূর্ণ ও নিরীহ আন্দোলনকে এই তৃতীয় পক্ষ এবং তথাকথিত সুশীল সমাজ রাজনৈতিক রূপ দিয়ে সহিংসতার দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলো। তাদের আসল উদ্দেশ্য ছিলো দেশে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলা।

তাহলে কারা এই সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনের মধ্যে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে ঢুকে পড়লো?

সোশাল মিডিয়া একটু ঘেঁটে দেখলেই সবকিছু পরিস্কার হয়ে যাবে।

এই তৃতীয় পক্ষটিই ছিলো রাজাকার শাবকদের দিয়ে গঠিত। রাজাকার শাবকগুলোই তিলকে তাল বানিয়ে যত অপ্রচার করেছিলো। আন্দোলনকারী সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে ছিলো এবং আন্দোলনকে ব্যাহত করতে ও সরকারকে বিপদে ফেলতে এরা ছিলো তৎপর।

বিএনপি-জামাত যে পানি ঘোলা করতে চাচ্ছিলো সেটা স্পষ্ট। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো কোনো সমাধান নয়, বরং আরো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করা। সাধারণ ছাত্রদের মধ্যে তৃতীয় পক্ষ ঢুকিয়েই তারা ক্ষান্ত হয়নি, তারা শিক্ষকদেরও যুক্ত করতে চেয়েছিলো এই ষড়যন্ত্রে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে করা তারেক রহমানের ফোনকলই তার প্রমাণ। তারেক রহমান পানি ঘোলা করতে চেয়েছিলো। তারেক রহমান যদি ছাত্রদের ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন দিয়ে সমস্যার সমাধানের উদ্দেশ্যে অবদান রাখতো, তাহলে একটা কথা ছিলো। কিন্তু তার উদ্দেশ্যই ছিলো ছাত্রের ন্যায্য আন্দোলনকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটা।

মজার ব্যাপার হলো রাজাকার শাবকরাই প্রশ্ন করছে রাজাকার শাবক কারা?

যারা সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী তাদের বলি, সোশাল মিডিয়াতে রাজাকার শাবকদের পোস্টগুলো দেখলেই স্পষ্ট বোঝা যায়, কারা রাজাকার শাবক। কিছু উদাহরণ দেই।

‘রাজাকার শাবক’ থেকে যদি ভাল কিছু হয়, তাহলে ‘রাজাকার শাবক’ই ভাল।

ভালবাসার আরেক নাম 'রাজাকারের বাচ্চা'

এরাই মুহম্মদ জাফর ইকবালকে নিয়ে অসভ্য ভাষায় মন্তব্য করে। তার উপর আঘাতকে ইনিয়ে বিনিয়ে সমর্থন করে। এরাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসায় জঙ্গী কায়দায় আক্রমণকে ইনিয়ে বিনিয়ে সমর্থন দেয়।

মনে রাখতে হবে, রাজাকাররা বাংলাদেশ চায়নি। এদের শাবকরাও এখনও বাংলাদেশের অগ্রগতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কোনো কিছুকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারে না। এদের চিহ্নিত করতেই হবে, নাহলে এরা যা কিছু বাংলাদেশের জন্য ভালো, তার মধ্যেই ঢুকে পড়বে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলবে। কাজেই সাবধান!! আমাদের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে মতপার্থক্য হলে আমরা তা শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান করবো। কিন্তু কিছুতেই রাজাকার শাবকদের কোনো সুযোগ নিতে দেয়া যাবে না।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

apps