Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ৬ মাঘ ১৪২৫
  • ||

রমজানে সেহেরি ও ইফতারে রাখুন স্বাস্থ্যসম্মত খাবার

প্রকাশ:  ১৬ মে ২০১৮, ১৭:০৪ | আপডেট : ১৬ মে ২০১৮, ১৭:১৯
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট icon

আর মাত্র দু-একদিন পরেই আরম্ভ হবে পবিত্র মাহে রমজান। সিয়াম-সাধনার এ মাসে রোজার মাধ্যমে আমাদের আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। তাই শরীর সুস্থ রাখাটাই হলো মূল। সে জন্য রোজায় সেহেরি ও ইফতারে বিশেষ কিছু খাবারের রীতি-নীতি চালু রয়েছে। যে খাবার দেহের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত সে খাবার মেনুতে রাখা সকলের জন্য জরুরি।

এই মাসে পরিবারের সবাই যেন সুস্থ সবল ভাবে ইবাদত বন্দেগী করতে পারে সে দিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা উচিত থাকে । তাই সারা দিন রোজা রাখার পরে যেন ইফতারিটা স্বাস্থ্যকর হয় সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার। রোজার দিনে বাড়ির ছোট-বড় সবাই ভাজাপোড়া খাবারের আসক্ত হয়ে থাকে, অবশ্য সেসব খাবার রোজাদারের জন্য খুবই মুখোরোচক বটে, স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এজন্য রমজান মাসে ইফতারে সুষম পুষ্টির সাথে শরীরিক সুস্থ্যতার কথা মাথায় রেখে ফুড প্ল্যানিং করাটা খুবই জরুরি। আপনাদের সুবিদার্থে এরকমই একটি প্ল্যানিং নিচে দেয়া হলো।

সারাদিন রোজা থাকায় আমাদের শরীরে পানির অভাব দেখা দেয় তাই ইফতারিতে প্রচুর পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। পানির সাথে লেবু একটু চিনি এবং রুহু আফজা মিশিয়ে পান করতে পারেন। সেই সাথে সকালের ভেজানো ইসুফগুলের ভূষির সাথে একটু চিনি মিশিয়ে পরিবেশন করতে পারেন। ডায়েবেটিস রোগী অবশ্যই তাদের নির্ধারিত চিনির বিকল্প মিষ্টি ব্যবহার করবেন।

সহজে হজম হয় এমন নরম খাবার গ্রহণ ইফতারির জন্য উপকারী। চিড়া ভিজিয়ে কলা এবং অল্প মিষ্টি দিয়ে খেতে পারেন। সাথে দই খেতে পারলে পেট ঠান্ডা থাকবে। তাছাড়া খেজুর দিয়ে ইফতার করা সুন্নত।

একটানা একমাস রমজান বিধায় মাঝে মাঝে ইফতারিতে বৈচিত্র্য আনতে পারেন। সপ্তাহে ১/২ দিন নরম করে খিচুড়ি খেতে পারেন।

কিছু ফল রাখতে পারেন অপনার ইফতারের টেবিলে। ফলের উপকারিতা হচ্ছে পানির শূন্যতায় দ্রুত শরীরকে সতেজ করে। ডাবের পানিও রোজার সময় উপকারী বটে। খেজুর তো থাকবেই সাথে আম, আনারস ইত্যাদি মৌসুমী ফল হলেও মন্দ হয় না। কিছু ইফতারি আপনি প্রতিদিন তৈরি করেতে পারেন। যেমন মুরগির মাংস ছোট করে কেটে ফ্রাই করার জন্য মেরিনেট করে কয়েকটি প্যাকেট মজুদ করে রাখতে পারেন ডিপ ফ্রিজে।

মসুর ডাল বেটে ছোট ছোট বক্সে করে ২/৩ দিনের জন্য রেখে দিতে পারেন। এসব বাড়তি কাজ একবারে করে রাখলে নামাজ বা ইবাদতের সময় নষ্ট হবে না। ছোলা এবং আলু বেশি করে সিদ্ধ করে ফ্রিজে রেখে দিলে প্রতিদিন ঝামেলা করতে হয় না।

কাঁচা ছোলা খাওয়া হজমের জন্য বা শরীরের জন্য অনেক উপকারী। সারাদিনের ভেজানো ছোলা খোসা ছাড়িয়ে বাটিতে অল্প পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ আর লেবু মিশিয়ে খেলে ইফতারিতে অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

ওএফ

রমজানে সেহেরি ও ইফতারের,মেনুতে রাখুন স্বাস্থ্যসম্মত খাবার
apps