• বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
  • ||

শর্ত ছিল চাকরির পর বিয়ে, কিন্তু...

প্রকাশ:  ১০ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৫৬
বগুড়া প্রতিনিধি
প্রিন্ট
প্রতীকী ছবি

বগুড়ার সোনাতলায় অন্য মেয়েকে বিয়ে করতে যাওয়ার খবর পেয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে দুইদিন ধরে অনশন করছেন ফার্মাসিস্ট প্রেমিকা বিপাশা খাতুন। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে রাশেদুল।

জানাগেছে, বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের লোহাগাড়া গ্রামের আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে ও বগুড়ার কাহালু উপজেলার মালাঞ্চা ইউনিয়নে কর্মরত উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম (২৬) এর সাথে পাশ্ববর্তী মহিচড়ন গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা বদিউদজ্জামান বুলুর মেয়ে ও সিরাজগঞ্জ থেকে ফার্মাসিস্ট বিষয়ে লেখাপড়া শেষ করে বিপাশা খাতুন (২২) এর প্রায় ৪ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। এরই এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম গোপনে বগুড়া সদরে বিয়ে করতে যায়।

বিষয়টি জানার পর প্রেমিকা বিপাশা খাতুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক রাশেদুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে ওঠে। অনশনকারি বিপাশা খাতুন জানান, রাশেদুল ইসলাম তার প্রেমিক। সে বিয়ে না করলে তার বাড়িতেই আত্নহত্যা করবে।

প্রেমিকা বিপাশা খাতুনের পরিবার সূত্রে জানাগেছে, প্রেমিক প্রেমিকা সম্পর্কে ফুফাতো মামাতো ভাইবোন। তাদের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের কারণে প্রেমিক রাশেদুল ইসলামকে সুপারিশ করে উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে চাকুরী নিয়ে দেন প্রেমিকার বাবা মুক্তিযোদ্ধা বদিউদজ্জামান বুলু। শর্ত ছিল চাকরি হওয়ার পর প্রেমিকা বিপাশাকে বিয়ে করবে। কিন্তু গোপনে সে অন্য মেয়েকে বিয়ে করতে যাওয়ায় প্রেমিকা বিপাশা প্রেমিক রাশেদুল ইসলামের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেয়।

রাশেদুল ইসলামের বাড়ির লোকজন জানান, বৃহস্পতিবার উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বগুড়া সদরে অন্য মেয়েকে বিয়ে করেছে। এখন সে ওখানেই অবস্থান করছে।

বগুড়ার সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, অনশনের বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/পি.এস

বগুড়া,বিয়ে,অনশন
apps