• বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
  • ||

পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে বঞ্চিত হচ্ছেন

প্রকাশ:  ১৪ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৫৪
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রিন্ট

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় ও গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ (কোটা) বিধি না মানার অভিযোগে 'সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন'র পক্ষ থেকে রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। এর ফলে ওবিসি-এ (অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি-এ) তালিকভুক্ত মুসলিম প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরে স্মারকলিপি দিয়ে সুবিচারের দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে মুহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, রাজ্যে ২০১১ সালে পরিবর্তনের পরে অনগ্রসর ও পিছিয়ে পড়া মুসলিমদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য শিক্ষা ও চাকরিতে সংরক্ষণ দেয়া হয়েছিল। অতি অনগ্রসর গোষ্ঠী হিসেবে মুসলিমদের ওবিসি-এ ক্যাটাগরি হিসেবে চিহ্নিত করে দশ শতাংশ সংরক্ষণ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের এটাই যে, নিয়োগের সর্বোচ্চ বড় জায়গাগুলো যেমন কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম থেকেই তারা রাজ্য সরকারের সংরক্ষণ বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলায় ওবিসি-এ তালিকাভুক্ত মুসলিমরা চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন না।

তিনি বলেন, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় অনেকদিন ধরেই শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ওবিসি সংরক্ষণ (কোটা) নীতি অগ্রাহ্য করে চলেছে। ওবিসি-এ তালিকায় বেশিরভাগই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ হওয়ায় তারা চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ১৬ জন এসোসিয়েট প্রফেসর পদে নিয়োগ করা হলেও ওবিসি সংরক্ষণ বিধি না মানায় একজন মুসলিম কর্মপ্রার্থীকেও নিয়োগ করা হয়নি।

তার অভিযোগ, কিছুদিন আগে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও সেখানেও সংরক্ষণ বিধির একশ’ পয়েন্ট রোস্টার মানা হয়নি।

খুব শিগগিরি তারা এ ব্যাপারে সুবিচার চেয়ে উচ্চশিক্ষা দফতরে স্মারকলিপি প্রদান করবেন বলেও মুহাম্মদ কামরুজ্জামান জানিয়েছেন।

/রবিউল

ভারত,পশ্চিমবঙ্গ,কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়,গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়
apps