• বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
  • ||

অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধারকালে হামলায় তিন পুলিশ আহত

প্রকাশ:  ১২ অক্টোবর ২০১৮, ০০:২৫
গফরগাঁও প্রতিনিধি
প্রিন্ট

ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল এলাকায় অপহৃত এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন গফরগাঁও থানার তিন পুলিশ সদস্য।

অপহরণ মামলার আসামি ও তাদের সহযোগীদের হামলায় নারী কনেস্টবলসহ ৩ পুলিশ আহত হয়েছেন। নান্দাইল উপজেলার চর কামটখালী গ্রামে বৃহস্পতিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নান্দাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৪ আগস্ট গফরগাঁও উপজেলার দরগাবাড়ি স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে নান্দাইল উপজেলার চরকামটখালী গ্রামের হৃদয় মিয়া (১৮), গফরগাঁও উপজেলার চরমছলন্দ গ্রামের রিটন মিয়া (২৫) ও তাদের বখাটে সহযোগীরা অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় গত ৬ আগস্ট ওই মেয়ের বাবা বাদী হয়ে গফরগাঁও থানায় হৃদয়, লিটন ও ফিরোজের নাম উল্লেখ করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। অপহরণের দেড়মাস পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার মধ্যরাতে এসআই আহসান হাবিবের নেতৃত্বে গফরগাঁও থানা পুলিশ অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারে নান্দাইল উপজেলার চরকামটখালী গ্রামে অভিযান চালান।

পুলিশ অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার সময় হৃদয় মিয়া কাশিদ (৩৫) ও শহীদ মিয়ার (২৫) নেতৃত্বে ২০/২৫ জন লোক রামদা বল্লম, লাঠিসোটা এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশের উপর আক্রমণ করে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় গফরগাঁও থানার কনস্টেবল ওমর আলী, আজিজুর রহমান ও হামিদা আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে স্কুলছাত্রী ময়মনসিংহ জেলা আদালতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেটের কাছে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার পর আদালতের নির্দেশে স্কুলছাত্রীকে তার মা’র জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গফরগাঁও থানার এসআই আহসান হাবিব বাদি হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ২০/২৫ জনকে আসামি করে নান্দাইল থানায় একটি মামরা দায়ের করেছে।

গফরগাঁও ও নান্দাইল থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে এ মামলার আসামি হৃদয় মিয়া, কাশিদ ও শহীদকে গ্রেফতার করেছে। নান্দাইল থানার ওসি কামরুল ইসলাম মিয়া জানান, বাকী আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

-একে

অপহরণ,পুলিশ
apps