Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৫ ফাল্গুন ১৪২৫
  • ||

রোহিঙ্গা গ্রামে সেনাবাহিনীর মর্টার শেল নিক্ষেপ

প্রকাশ:  ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:২৪
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট icon

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা গ্রামে গ্রামে মর্টার শেল নিক্ষেপ ও খাবার সরবরাহ আটকে দিচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ উত্থাপন করেছে।

মানবাধিকার সংগঠনটি স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, বাড়িঘর লক্ষ্য করে মর্টার শেল নিক্ষেপ করা হচ্ছে। গোলা নিক্ষেপের স্থানীয়রা পরিত্যক্ত বাড়ি ঘরে মূল্যবান সামগ্রী লুট করতে আসে এবং ধ্বংস করে যাচ্ছে।

৪ জানুয়ারি ফাঁড়িতে আরাকান আর্মির হামলায় ১৩ পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার পর রাখাইনে সামরিক অভিযান জোরদার করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, অভিযান শুরুর পর সংঘাত কবলিত এলাকা থেকে ৫২০০ জনের বেশি মানুষ ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। কয়েক শ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন প্রতিবেশী বাংলাদেশে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ নতুন ঘটনা নয়। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সন্ত্রাসবিরোধী শুদ্ধি অভিযানের নামে শুরু হয় নিধনযজ্ঞ। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হতে থাকে ধারাবাহিকভাবে। এমন বাস্তবতায় নিধনযজ্ঞের বলি হয়ে রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা। আগে থেকে উপস্থিত রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় দশ লাখে। এসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশের বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে বসবাস করছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ক্রাইসিস রেসপন্স বিভাগের পরিচালক তিরানা হাসান বলেন, এই অভিযান আরেকবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী মানবাধিকারের প্রতি কোনও সম্মান ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। যেকোনও পরিস্থিতিতে গ্রামীণ বসতিতে গোলাবর্ষণ ও খাদ্য সরবরাহ আটকে রাখা অযৌক্তিক।

তিরানা হাসান আরও বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংসতার আন্তর্জাতিক নিন্দার পরও তারা নির্লজ্জভাবে আরও গুরুতর নির্যাতন চালাচ্ছে।

পিবিডি/টিএইচ

রোহিঙ্গা
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত