Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯, ১১ চৈত্র ১৪২৫
  • ||

চবিতে তিন দিনব্যাপী মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বার্ষিক নাট্যোৎসব।

প্রকাশ:  ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:২৩
চবি প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শানিত তৃতীয় বার্ষিক নাট্যোৎসব। ১৮, ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি তিনদিন এ উৎসব চলবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ এই বার্ষিক নাট্যোৎসবের আয়োজন করেছে।

সোমবার (১৮ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্বববিদ্যালয় উন্মুক্ত মঞ্চে বৃক্ষ রোপন ও সঙ্গীত বিভাগের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে এই নাট্যোৎসব উদ্বোধন করেন চবি মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরিন আখতার, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো: সেকান্দর চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টর অধ্যাপক আলী আজগর চৌধুরী, অধ্যাপক সুকান্ত ভট্টাচার্য প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের বাংলার জনপথ ৩০০০বছরের প্রাচীন। সেই তিন হাজার বছর আগে আমাদের আর্য্য,দ্রাবিড়,তুর্কি,ব্রিটিশ ও পাকিস্তানরা শাসন করেছিল। শাসকদের হাত থেকে যিনি স্বাধীন বাংলাদেশ গড়েছে তিনি আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সকলকে উদ্ধুত করে, দেশপ্রেম জাগ্রত করে এগিয়ে যেতে হবে। মুক্তবুদ্ধি চর্চা, সংস্কৃতি চর্চা সকল কিছুতে জাগ্রত হতে পারি সেই থেকে আজ নাট্যোৎসব।

তিনি আরো বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যে নাট্যোৎসব হচ্ছে তার দিকনির্দেশনা চালিকাশক্তি হল বাংলাভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ধারণ করা। জাতির জন্য দেশের জন্য মৌলিক শিক্ষা দর্শনের বার্তা হচ্ছে সংস্কৃতিকে সম্পৃক্ত করে আধুনিক বিজ্ঞান মনষ্ক হয়ে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক অধিকার সংবিধানে আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু উপহার দিয়েছেন । একটু সুযোগ পেলে অন্ধকার শক্তিগুলো আলোর শক্তিকে ধ্বংস করে দেয়। সেই অন্ধকার শক্তিকে রুখে দিতে হলে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত ও সাহসী হতে হবে। তিনি সকল মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষার মাসে সকল ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন ।

অন্যদিকে বিশিষ্ট নাট্য ব্যাক্তিত্ব মামুনুর রশিদ বলেন, নাট্যকলার সংলাপ দিয়ে, নাট্যকলার দৃশ্যপথ নিয়ে মঞ্চে তৈরি হয় অন্য একটি পৃথিবী । দর্শকদের মনে চিরকাল বেঁচে থাকা যায় এই নাট্যকলার মাধ্যমে। প্রতিদিন যে নাটক তৈরি হচ্ছে তা আসলে এক একটি ভাবনা সেই ভাবনাকে ধারণ করে আধুনিক ভাবনা নির্মাণ করতে হবে। নাটকের মাহাত্ব্য হচ্ছে সেটি যে একটি নাটক, নাটকের সমস্ত কিছু দর্শকের মস্তিষ্কে তার স্মৃতিতে গিয়ে আশ্রয় দেয়।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষা শুধু একটি সার্টিফিকেট অর্জন করা নয়, শিক্ষারও একটি সংস্কৃতি রয়েছে, সেই সংস্কৃতি কিন্তু ধ্বংস হয়ে গেছে।নাটক জীবন্ত মানুষ নিয়ে অভিনয় করে সেটি জীবন্ত মানুষরা দেখে। প্রকৃত লোকশিক্ষার জন্য নাট্যকলা অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

এই বার্ষিক নাট্যোৎসব চলবে আগামী বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত।

পিবিডি/আর-এইচ

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত