Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯, ৫ চৈত্র ১৪২৫
  • ||

চবিতে সাময়িক বহিস্কার ১২, ছাত্রত্ব বাতিল ১, সনদ স্থগিত ২ জনের

প্রকাশ:  ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৮:৫৯
চবি প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নিয়ম ভঙ্গ অপরাধে বিভিন্ন মেয়াদে ১২ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার, দুইজনকে সনদ স্থগিত এবং একজনকে ছাত্রত্ব বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গেলো সোমবার ‘বোর্ড অফ রেসিডেন্স, হেলথ এন্ড ডিসিপ্লিনারী কমিটি’র এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।

মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আড়ায়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. আজগর চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য দেন। বহিস্কৃতদের মধ্যে এক বছরের জন্য বহিস্কার হয় পাচজন, ৬ মাসের জন্য হয় সাতজন, দুইজনের সনদ বাতিল ও একজনের ছাত্রত্ব বাতিল।

যারা বহিস্কার হলেন ও কারণ,

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরান নাজিম ইমন(১৭-১৮ সেশনের), নৃবিজ্ঞান বিভাগের জিয়াউল হক মজুমদার (১৬-১৭সেশন) ক্যাম্পাস ও চট্টগ্রাম শহরে দুদলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় উস্কানী ও প্ররোচনা করার অপরাধে ছয় মাসের বহিস্কার করা হয়।

ইতিহাস বিভাগের ১৬-১৭ সেশনের মো সাব্বির হোসেন ও অর্থনীতি বিভাগের ১৫-১৬ সেশনের মামুনুর রশিদকে ফরেস্ট্রি ও এনভাইরনমেন্টাল সাইন্স বিভাগে রবিউল হাসান ও আরবি বিভাগে নুসরাত জাহান থেকে মোবাইল ও টাকা ছিনতাই এবং মারধর করার ঘটনায় এক বছর ও ছয়মাসের জন্য বহিষ্কার করা হলো। উল্লেখ্য, এর আগে সাব্বির হোসেন একজন সাংবাদিককে মারধর করার অপরাধে দুইমাস বহিস্কৃত ছিলো । তাই তাকে এক বছরের মেয়াদে বহিস্কার করা হয়।

লোক প্রশাসন বিভাগের দ্বিপায়ন দেব(১৫-১৬ সেশন), একই বিভাগের সাব্বিরুল ইসলাম (১৫-১৬), আন্তর্জাতিক বিভাগের ১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী অর্ণব বডুয়া, আরবি বিভাগের ১৬-১৭ সেশনের জুবায়ের আহমেদকে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ফাহিম হাসান ও অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষার্থী এমদাদুল হক মিলনকে হল থেকে বের করে দেওয়া ও মারধর করার ঘটনায় এ চারজনকে ছয় মাসের জন্য বহিস্কার করা হয়।

২০১৮ সালে সাউথার্ন ইউনিভার্সিটি ব্যবসা অনুষদের সিবু দাস গুপ্ত হয়ে চবির শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সৈয়দ ফাহিম জাফরী (১৫-১৬ সেশনের) সাউথার্ন ইউনিভার্সিটিতে প্রক্সি দিতে গিয়ে ধরা পড়ে। এই ঘটনায় ফাহিম জাফরিকে এক বছরের জন্য বহিস্কার করা হয়।

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী জামশেদুল করিম ( ১১-১২ সেশন), ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আনোয়ার হোসেন(১৩-১৪ সেশন), প্রথম বর্ষে (২০১৮-১৮ ডি ইউনিটে) ভর্তি পরীক্ষা অনিয়ম ও প্রক্সি দেওয়ার অপরাধে শাস্তি হিসাবে মাস্টার্স পরীক্ষা সনদ স্থগিত করা হয়। একি ঘটনায় আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মোশাররফ হোসেন সিকদারক (১৪-১৫ সেশন) এক বছরের জন্য বহিস্কার করা হয়।

আইন বিভাগের মাইন নেওয়াজ (১৭-১৮ সেশন) প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা দিতে গেলে সন্দেহজনক ভাবে আটক করা হয়। এরপর তদন্ত করার পর অনিয়ম ও ভুয়া কাগজপত্র প্রমান হলে তাকে আজিবন বহিস্কার করা হয়।

অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী এইচ এম হাসানুজ্জামান (১৩-১৪ সেশনে) কে এম্বুলেন্স অপব্যবহার এবং স্টাফদের হুমকি প্রদানের অপরাধে তাকে এক বছরের জন্য বহিস্কার করে।

রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান ফকির (১২-১৩ সেশন)কে হলের ভিতরে দুজন শিক্ষার্থী থেকে মোবাইল ও ল্যাপটপ জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়ার অপরাধে তাকে এক বছরের জন্য বহিস্কার করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, অপরাধ কোন সংগঠন কর্মী বা নেতা করছে আমরা দেখিনা, আমরা দেখি সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কিনা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অপরাধীদের ছাড় দেবে না।

পিবিডি/আর-এইচ

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত