• মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১
  • ||

পাসের হার কম থাকায় নওগাঁর সাত মাদ্রাসা প্রধানকে শোকজ

প্রকাশ:  ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:১৮
আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধি

দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার কম থাকায় নওগাঁর সাত মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন বন্ধের জন্য শোকজ করেছে মাদ্রাসা অধিদপ্তর। চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় ১০ শতাংশের কম শিক্ষার্থী এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পাস করেছিলো। এতে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফল বিপর্যয় হওয়ায় এসব মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন কেনো বন্ধ করা হবে না তা জানতে চেয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। গত রোববার ওই ৭জন প্রতিষ্ঠান প্রধানকে পাঠানো শোকজ নোটিশ প্রকাশ করেছে মাদ্রাসা অধিদপ্তর।

জানা যায়, ফল বিপর্যয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জেলার পতœীতলা উপজেলার ছোট মহারান্দি টেকনিক্যাল দাখিল মাদরাসার ২০জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ২জন, পাশের হার ১০শতাংশ, একই উপজেলার নির্মল দারাজিয়া দাখিল মাদরাসার মাদরাসার ১৭জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১জন, পাশের হার ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ, দিবর সিদ্দিকী নগর দাখিল মাদরাসার মাদরাসার ২৩জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১জন, পাশের হার ৪দশমিক ৩৫শতাংশ। ফরিদপুর নেছারিয়া দাখিল মাদরাসার মাদ্রাসার ২১জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ২জন, পাশের হার ৪ শতাংশ।

অপরদিকে জেলার রাণীনগর উপজেলার পাঁচুপুর আলিম মাদ্রাসার ২২জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১জন, পাশের হার ৯দশমিক ৯শতাংশ, একই উপজেলার ভেটি সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ১৮জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১জন, পাশের হার ৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ। রাজাপুর সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার ২১জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১জন, পাশের হার ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

অধিদপ্তরের উপপরিচালক জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জানানো হয়েছে, মাদরাসাগুলোর কম পাসের হার এমপিও নীতিমালা পরিপন্থি। প্রতিষ্ঠানগুলো এ কর্মকান্ডে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে। এসব মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও সাময়িক ভাবে স্থগিত বা স্থায়ীভাবে বন্ধের ব্যবস্থা কেনো গ্রহণ করা হবে না তার জবাব আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।

অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই গণিত বিষয়ে ফেল করেছে বলে বলে জানা যায়। কিছু প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকটের জন্য এই ফল বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবী করেছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close