Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯, ৭ চৈত্র ১৪২৫
  • ||

নতুন মন্ত্রীকে ফুল দিতে গিয়ে দুই নেতার কাণ্ড

প্রকাশ:  ০৩ জানুয়ারি ২০১৮, ০১:৪৮ | আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৮, ০১:৫১
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

এ কে এম শাহজাহান কামাল মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে বঙ্গভবন থেকে বের হওয়ার পরপরই তাকে ফুল দিতে গিয়ে হট্টগোল বাঁধালেন লক্ষ্মীপুরের দুই নেতা।

শাহজাহান কামালসহ চারজনকে মঙ্গলবার বঙ্গভবনে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান কামাল এবারই প্রথম মন্ত্রী হলেন।

ভেতরে শপথ অনুষ্ঠান চলার সময়ই কয়েকজন নেতা-কর্মীকে নিয়ে ফুল হাতে উপস্থিত হন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মনির চৌধুরী। তার পাশে আরও কয়েকজন লোক নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজাদ ভূঁইয়া। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গভবন ছাড়ার ৫ মিনিট পর শাজাহান কামাল যখন বেরিয়ে আসেন, তখন তার সঙ্গে কথা বলতে অপেক্ষায় ছিলেন সাংবাদিকরা। বঙ্গভবনের প্রধান ফটক পেরিয়ে শাহজাহান কামাল গাড়ি থেকে নেমে সাংবাদিকদের সামনে আসার সময় দুই নেতাই তাকে ফুল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

প্রথমে মন্ত্রীর গলায় ফুল দেন আজাদ ভূঁইয়া। আজাদ ফুল দেওয়ার পরপরই মনির ফুল দিতে যান। সবার আগে মন্ত্রীর গলায় ফুল দিতে না পেরে আজাদ ভূঁইয়ার ওপর ক্ষিপ্ত হন মনির চৌধুরী। এসময় আজাদকে টেনে হিঁচড়ে পেছনে এনে কলার চেপে চড়-থাপ্পড় কিলঘুষি শুরু মারতে থাকেন মনির। আজাদও পাল্টা কিলঘুষি দেন। নতুন মন্ত্রী স্থানীয় দুই নেতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীরা আজাদ ও মনিরকে দুই দিকে সরিয়ে দেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে মন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার পর শাহজাহান কামাল দুজনকে ডেকে এনে শাসিয়ে দেন। মন্ত্রী এ সময় বলেন, তোমরা ভবিষ্যতে এ রকম লজ্জাজনক কোনো কাজ করবে না।

পরে তারা চলে যান। সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলেও তারা কথা বলতে চাননি।

শাহজাহান কামাল স্বাধীনতার পর থেকে লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রথমে সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতি ছিলেন তিনি। বর্তমানে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তিনি। ১৯৭৩ সালে সংসদ সদস্য হওয়ার পর প্রায় প্রতিটি নির্বাচন করলেও হারতে হয় তাকে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত