Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১ ফাল্গুন ১৪২৫
  • ||

কৌলশগত পার্টনারের ফাঁদে অনিশ্চতায় পুজিঁবাজার

প্রকাশ:  ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৯:১০ | আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৯:১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

২০১০ সালে পুজিঁবাজারকে গতিশীল করার লক্ষ্যে মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথকীকরণ করার উদ্দেশ্য পুজিঁবাজারের জন্য ডিমিউজিলাইজেশান এ্যাক্ট ২০১৩ জাতীয় সংসদে পাস হয়। এই অ্যাক্ট অনুযায়ী শেয়ার বাজারে মালিকদের ৪০ পার্সেন্ট শেয়ার কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে থাকার কথা বলা হয়েছে। যারা পুজিঁবাজারকে টেকনোলজি গত সহায়তা দিয়ে বিশ্বমানের পুজিবাজারে উপনীত হতে সাহায্য করবে । আর ২৫ পার্সেন্ট শেয়ার বিক্রি হওয়ার কথা। বাকী ৩৫ পার্সেন্ট সাধারণ বিনিয়োগকারীদেরকে আইপিওর মাধ্যমে অফার করা হবে। বর্তমানে চায়নার সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ কনর্সোটিয়াম প্রতি শেয়ার ২২ টাকা মূল্যে মোট ৯৯২ কোটি টাকা এবং টেকনোলজিক্যাল সার্পোট হিসেবে আরো ৩০৭ কোটি টাকা অফার করেছে। তারা আরো বলেছে আগামী ১০ বছরের মধ্যে তারা নিজেদের শেয়ার বিক্রয় থেকে বিরত থাকবে।

অপরদিকে ভারতের ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ ১৫ টাকা মূল্যে শেয়ার অফার করেছে। তাদের শর্ত হচ্ছে পাঁচ বছরের মধ্যে শেয়ার বিক্রি করে সমুদয় অর্থ মার্কেট থেকে তুলে নিতে পারবে। এবং তাদেরকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ দুই জন পরিচালনা পর্যদে থাকার জন্য দুইটি সিট বরাদ্দ করার দাবি জানিয়েছে। তাদের ৩ পার্সেন্ট শেয়ারের পার্টনার হচ্ছে বাংলাদেশি একটি কোম্পানি। এমাবস্থায় সার্বিক দিক বিবেচনা করে ডিএসসি পরিচালনা পর্যদ চায়না থেকে আগত কনসোর্টিয়ামকে স্বাগত জানিয়েছে। ২৫০ জন ব্রোকারের প্রতিনিধিত্বকারী ডিবিএ সকল সদস্য বোর্ডের এই সিদ্দান্তকে স্বাগত জানিয়ে একাত্মতা ঘোষণা করেছে। কিন্তু শোনা যাচ্ছে সমস্ত প্রক্রিয়ায় বাগড়া দিচ্ছে ডিএসসি নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বিএসসিসি।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তারা ডিএসসির বর্তমান চেয়ারম্যান ড. আবুল হাশেম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাজেদুর রাহমান ডেকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় অশালিন আচরণ করেছে। অশালিন আচরণ করেই ক্ষান্ত হননি ভারতের কাছে শেয়ার বিক্রি করার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন। প্রতিবেশি দেশ ভারত আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশ। কিন্তু নিজেদের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে তাদের পকেট ভারী করার যৌক্তিকতা কতটুকু সেই প্রশ্নের অবকাশ রয়েই যায়। পুজি বাজার বিকাশে কৌশলগত বিনিয়োগকারী নির্বাচনে কেবল ২৫০ শেয়ার হোল্ডারের স্বার্থই নিহিত নয় প্রত্যক্ষভাবে ৩৫লাখ বিনিয়োগকারী পরোক্ষভাবে দুইকোটি মানুষের রুটি রুজির স্বার্থ জড়িত। এমনকি সার্বিক অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়বে। সবাই এখন শংকিত।

বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসসিসির স্বচ্ছতা, আন্তরিকতা ও সইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে আগামী দিনের পুজিবাজার দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থানে কি পরিমাণ ভূমিকা রেখে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারবে। /মজুমদার

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত