Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১ ফাল্গুন ১৪২৫
  • ||

লাকির বাসা থেকে ‘আটক’ কোটা আন্দোলনের নেতা

প্রকাশ:  ১২ জুলাই ২০১৮, ১৩:০৭ | আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৮, ১৪:২৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লাকি আক্তারের বাসা থেকে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা এ বি এম সুহেলকে আটকের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ছাত্র ইউনিয়নে নেত্রী বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) তার ফেসবুকে এই ঘটনাটি তুলে ধরেছেন। যদিও এবিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

লাকি ফেসবুকে লেখেন, ‘ক্যাম্পাসে আমার ডিপার্টমেন্টের ছোটভাই এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের সংগঠক সুহেল আমার বাসায় ছিল। তারা তাকে তুলে নিয়ে গেছে।’

ভোর সোয়া চারটা নাগাদ তার বাসায় গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালায়। শুরুতে তারা বেশ উত্তেজিত ছিলেন বলেও জানান ছাত্র ইউনিয়ন নেত্রী।

এত রাতে কোন অভিযোগে আমার বাসায় তল্লাশি করবেন-এমন প্রশ্নও করেন লাকি। আর তর্কা-তর্কির এক পর্যায়ে তারা দরজা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়।

‘আমি বললাম আপনারা সকালে আসেন। অনেকক্ষণ বাক-বিতণ্ডার পর অবশেষে তারা বাড়িওয়ালা আংকেলকে নিয়ে আসলে সাড়ে চারটার দিকে আমি দরজা খুলি’-লেখেন লাকি।

‘যাওয়ার আগে বাসার কম্পিউটারের হিস্ট্রি চেক করেন। এছাড়া সুহেল যে রুমে ছিল সেখানে তন্ন তন্ন করে তল্লাশি চালান। সুহেলের ব্যবহৃত একটি ফোন ছাড়া আর কিছুই তারা পাননি।’

‘প্রায় দেড় ঘণ্টা তারা আমার বাসায় অবস্থানকালে সুহেলকে আলাদারুমে হাতকড়া পরিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এসময় আমাদের সব ফোনগুলো তারা জব্দ করে রাখেন। আমার ফোনও তারা চেক করেন। যদিও ঘরে প্রবেশ করার পর আমাদের কারও সাথে উত্তেজিত আচরণ করেননি তারা।’

‘সুহেলকে নিয়ে যাওয়ার আগে আমি জানতে চাইলাম ওর বিরুদ্ধে অভিযোগ কী। তারা বললেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। আমার বাসায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের লিফলেট-পোস্টার আছে কি না জানতে চান। বাসায় সেরকম কোনো কিছু না থাকায় আমি তাদের দেখাতে পারিনি। তবে সেজন্য তারা বাড়তি কোনো তল্লাশিও করেননি।’

লাকি জানান, যাওয়ার আগে সুহেল তার মাকে কিছু না জানাতে অনুরোধ করেছেন। কিছুদিন আগে তার বাবা মারা গেছেন। তাই এই ঘটনা জানতে পারলে তারা মা আরও ভেঙে পড়তে পারেন।

লাকি গোয়েন্দাদের এই অভিযানের তীব্র নিন্দা জানান। বলেন, ‘যখন তখন সাদা পোশাকে নাগরিকদের ঘরে হানা দেওয়ার এই সংস্কৃতি একজন নাগরিক হিসেবে আমাকে শঙ্কিত করে। তবে কি গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে যুক্ত থাকলে মানুষকে এভাবে আতঙ্ক নিয়ে রাত কাটাতে হবে?’

গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য জানান, ‘আটকের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি বলতে পারছি না। আমি খোঁজ নিছি এই রকম কেউ বলতে পারছে না। আমাদের পক্ষ থেকে তাকে অ্যারেস্ট করা হয়নি।’

লাকি আক্তার বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার বাসা শান্তিনগর। ভোরে বাসা থেকে ডিবি পরিচয়ে আট-১০ জনের একটি দল নিয়ে গেছে। কিন্তু ডিবির কোন বিভাগ, সেটা জানায়নি। বলে গেছে সকালে ডিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করবেন। কিন্তু আমরা যোগাযোগের চেষ্টা করে সফল হইনি।’

/এসএম

লাকি,কোটা
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত