Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৮ ফাল্গুন ১৪২৫
  • ||
শিরোনাম

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোর নয়, গুরুত্ব পাবে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরা

প্রকাশ:  ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০০:১৩ | আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০০:২৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোর নয়, গুরুত্ব পাবে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরা
নির্যাতনের শিকার হয়ে আশ্রয় নেওয়া জোর করে মিয়ানমারে ফিরতে বাধ্য করবে না বাংলাদেশ, বরং স্বেচ্ছায় যারা যাবে তাদেরই দেশে ফিরতে সহায়তা করবে সরকার। কূটনৈতিকদের উদ্দেশে ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এ বিষয়টিই তুলে ধরেছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কূটনৈতিকদের উদ্দেশ্যে ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবরা ছাড়াও অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ঢাকাস্থ বিভিন্ন মিশনের প্রধান, প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং কূটনৈতিকরা কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ে অংশ নেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীপররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, নিয়মিত ব্রিফিংয়ের অংশ হিসেবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কূটনৈতিকদের জানানো হয়েছে। নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এটিও জানানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, কূটনৈতিকদের আমরা জানিয়েছে কোনো রোহিঙ্গাকেই জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না। কেউ কেউ বলতে চাইছেন, আমরা জোর করে ফেরত পাঠাতে চাইছি। এটা মোটেও ঠিক নয়। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জোর করে পাঠাচ্ছে না জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা একটা ক্যাম্পেইন ছড়ানো হচ্ছে, বাংলাদেশ কখনই জোর করে প্রত্যাবাসনের পক্ষে নয়। ভারত ও চীন মংডুতে ঘরবাড়ি তৈরি করছে। শুধু বাড়ি তৈরি করলে হবে না। সেখানে বাচ্চাদের স্কুল, হেলথ সেন্টার, ক্লিনিকও তৈরি করতে হবে। এসব কাজ এগিয়ে চলছে। মন্ত্রী বলেন, আমরা ভারত ও চীনকে বলেছি যে রোহিঙ্গারা যেখান থেকে এসেছে, সেই সব গ্রামে এ বাড়িগুলো যাতে তৈরি করা হয়। এখন রোহিঙ্গারা যেতে চাচ্ছে না। একটি বিষয় প্রচার করা হচ্ছিল যে বাংলাদেশ সরকার নাকি জোর করে ফেরত পাঠাচ্ছে। জোর করে ফেরত পাঠানোর কোনো প্রশ্নই ওঠে না। মাহমুদ আলী বলেন, বিভিন্ন ক্যাম্পের যে রোহিঙ্গা নেতা রয়েছেন, তাদের মাঝি বলা হয়। মাঝিদের একটি গ্রুপকে নিয়ে ওইখানে যাওয়া। সেখানে জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা থাকবেন। এরকম একটি প্রস্তাব এসেছে। আমরা আলোচনার মাধ্যমে এটি এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি। তাদেরকে গ্রামগুলোতে দেখিয়ে নিয়ে আসবে, সেখানে তাদের জন্য কী ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম ব্যাচের যাওয়ার কথা ছিল। বাংলাদেশ কখনই জোর করে ফেরত পাঠানোর পক্ষে নয়। বাংলাদেশ সবসময়ই সমস্যার একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে। আমরা এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো জানান, সরকারের পক্ষ থেকে আসন্ন নির্বাচন সম্পর্কেও ব্রিফ করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলর বিষয়েও কূটনীতিকদের জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত