Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯, ১১ মাঘ ১৪২৫
  • ||

সংরক্ষিত আসনে অগ্রাধিকার পাবেন শেখ হাসিনার ‘গুডবুকে’র নেত্রীরা

প্রকাশ:  ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ০২:০৯
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট icon

নতুন মন্ত্রিসভার মতোই একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনেও নতুন মুখের চমক উপহার দেবে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করা আওয়ামী লীগ। দশম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশকে বাদ দিয়ে মনোনয়ন পাচ্ছেন সংসদ নেতা শেখ হাসিনার ‘গুডবুকে’ থাকা নেত্রীরা। এর মধ্যে রয়েছে জেলা কোটা, এক/এগারো ও ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এবং বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা নারী নেত্রীসহ দলের দুর্দিনে হাল ধরা তৃণমূলের ত্যাগী পরিবারগুলো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এবার মনোনয়নের ক্ষেত্রে আগে যেসব জেলা সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে, সেসব জেলাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলেই দলীয় ফোরামে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা দল মনোনীত প্রার্থী ঘোষণা করবো।’

আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের ফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। গত ১ জানুয়ারি গেজেট হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের। এ হিসাবে আগামী ১ এপ্রিলের মধ্যে সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের ভোট করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি)।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসন রয়েছে। সাধারণত সংসদের আসনের সংখ্যানুপাতে নির্ধারিত এই মহিলা আসনে রাজনৈতিক দল বা জোটগুলো তাদের নির্ধারিত আসনের জন্য একক প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ায় তারা বিনা ভোটে নির্বাচিত হন। নির্বাচিতদের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের পরবর্তী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে দল বা জোটগুলো বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের জোটের অবস্থান নির্বাচন কমিশনকে জানানোর নিয়ম রয়েছে। সে অনুযায়ী একাদশ সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানে আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে দলগুলোকে ইসিতে জোটের তথ্য দেবে। ইসি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তালিকা প্রস্তুত করবে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যদের জন্য কোনও নির্ধারিত নির্বাচনি এলাকা নেই। তারা কেবল দলীয় বা জোটের সদস্য হিসেবে পরিচিত হবেন। এক্ষেত্রে দল বা জোটের প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে মহিলা আসন বণ্টিত হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যেসব জেলা থেকে দীর্ঘদিন সংরক্ষিত মহিলা আসনে কেউ সংসদ সদস্য ছিলেন না, সেসব জেলায় মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ বা সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রীসহ দলের দুর্দিনে ভূমিকা রাখা আওয়ামী পরিবারের সদস্যরা ঠাঁই পেতে যাচ্ছেন। এছাড়া দলীয় সমমনা পেশাজাবীরাদের মূল্যায়িত করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘বিষয়টি এখনো আমাদের দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টির দেখভাল করছেন। তিনি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় চমক দিয়েছেন। আশা করি, সংরক্ষিত মহিলা আসনেও চমক উপহার দেবেন।’

এদিকে, একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে নারী আসনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে ৩০ জানুয়ারি। সব কিছু দ্রুত শেষ হলে এ অধিবেশনেই সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যরা যোগ দেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

ক্ষমতাসীন দলের একাধিক সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সংরক্ষিত আসনের মহিলা সংসদ সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি আলোচনা আছে। এ লক্ষ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা মেয়াদে বিশাল জয়ের পরে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ শেষ হওয়ার পর সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য পদে মনোনয়ন পেতে জোর-তদিবর ও দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে।

এদিকে, আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন সংরক্ষিত মহিলা আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম ও সংগ্রহ জমাদানের আহ্বান জানাবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এরইমধ্যে দশম জাতীয় সংসদের আওয়ামী লীগ দলীয় সংরক্ষিত মহিলা সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশই এবারও একই পদ বহাল থাকতে জোর লবিং শুরু করেছে। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দল ও সহযোগী সংগঠনসহ ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রীরা নেত্রীরাও মহিলা সংসদ সদস্য হতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দৃষ্টিতে পড়তে গণভবন থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক আমলাদের বাসায় ধর্ণা দেওয়া শুরু করেছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো দলীয় সিদ্ধান্ত হয়নি। নেত্রী (শেখ হাসিনা) ফোরামে সিদ্ধান্ত নিয়ে জানিয়ে দেবেন।’

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য হতে আগ্রহীরা অনেকে গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সাক্ষাৎও করেছেন। আবার আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনাও ইতোমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রস্তুত থাকার কথা বলেছেন। তবে গত সংসদগুলোতে সংরক্ষিত পদে যারা নির্বাচিত হয়েছিলেন, তারা এবার দলের মনোনয়ন পাবেন না বলে ইতোমধ্যেই নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। এমন সমীকরণে এবার বর্তমান সংরক্ষিত মহিলা সদস্যদের অধিকাংশই বাদ পড়ছেন। তাই এবার এ জায়গায় জেলা কোটা পূরণে বিভিন্ন জেলার নারীনেত্রী ও দলের দুর্দিনে অগ্রগণ্য ভূমিকা রাখা পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার দিয়ে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সংরক্ষিত সদস্য পদে মনোনয়ন-প্রত্যাশী খ্রিস্টিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাহী সদস্য দিপীকা রাণী সমাদ্দার বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের একজন নেত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী বিচক্ষণ নেতৃত্ব বাংলার নারী সমাজের অগ্রগতিতে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছে। প্রিয় নেত্রীর পথচলায় আমরা কেবল একজন কর্মী। তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন এবং মূল্যায়ন করবেন, তা মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত আছি।’

দশম সংসদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের অনেকেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রত্যক্ষ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের কাউকেই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। তাই এখন তারা সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে মনোনয়ন পেতে জোর তদবির শুরু করেছেন। দৌড়ঝাঁপে এগিয়ে আছেন তারানা হালিম (মহিলা আসন-১২), ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা (মহিলা আসন-২২), সানজিদা খানম (মহিলা আসন-২৪), মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিরীন নাঈম পুনম (মহিলা আসন-৯), নূরজাহান বেগম মুক্তা (মহিলা আসন-৪২), যুব মহিলা লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি বেগম সাবিনা আক্তার তুহিন (মহিলা আসন-৩৫), অ্যাডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি (মহিলা আসন-৩০), মাহজাবিন খালেদ (মহিলা আসন-১৮), ওয়াসিকা আয়েশা খান (মহিলা আসন-৩১), নিলুফার জাফর উল্লাহসহ (মহিলা আসন-২৫) অনেকে।

এদিকে নতুনদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ; স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা; কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী; কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ সদস্য পারভীন জামান কল্পনা; মারুফা আক্তার পপি ও মেরিনা জাহান কবিতার নাম আলোচনায় রয়েছে। সহযোগী সংগঠনের নেত্রীদের মধ্যে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুন; সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম; যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অপু উকিলও আলোচনায় রয়েছে বলে সূত্র জানায়।

এছাড়া দলের কয়েকজন প্রয়াত নেতার স্ত্রী সংরক্ষিত আসনের সদস্য হিসেবে শেখ হাসিনার গুডবুকে রয়েছেন। তারা হলেন, অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রয়াত এম এ আজিজের স্ত্রী রাবেয়া আজিজ; প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও প্রয়াত মাহবুবুল হক শাকিলের স্ত্রী অ্যাডভোকেট নীলুফার আনজুম পপি; বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের প্রয়াত সভাপতি বজলুর রহমানের স্ত্রী শিরীন আহমেদ ও বঙ্গবন্ধুর চাচাত ভাই শেখ হাফিজুর রহমান টোকনের স্ত্রী শেখ এ্যানি রহমান; সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মহসীন আলীর স্ত্রী সায়েরা মহসীন; সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অ্যাডভোকেট ছায়েদুল হকের স্ত্রী দিলশাদ আরা মিনু ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক।

পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শমী কায়সার ও শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলীম চৌধুরীর মেয়ে ডা. নুজহাত চৌধুরী।

বঙ্গবন্ধুর সামরিক সচিব কর্নেল জামিল উদ্দীনের পরিবার থেকেও মূল্যায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জাতীয় চার নেতার পরিবারের মধ্যে সদ্য প্রয়াত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বোন সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি আলোচনায় রয়েছেন।

দলীয় সূত্রে জানায়, আওয়ামী লীগ সভাপতির গুডবুকে থাকা ত্যাগী নেত্রীরা হলেন দিনাজপুর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর মহিলা লীগ উত্তরের সহ-সভাপতি শিরীন ইসলাম, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমেনা আকতার লিপি, নওগাঁ বদলগাছী উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য বেগম সখিনা সিদ্দিক, গাইবান্ধার প্রয়াত মনজুরুল ইসলাম লিটনের পরিবার থেকে তার বোন আফরোজা বারী ও তার স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতি, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অর্চনা ঘোষ, দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সম্পাদক আলতামাস কবিরের বোন নিহাত কবির প্রমুখ।

এ বিষয়ে সাবেক পুলিশ সুপার মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবু বকর সিদ্দিকের স্ত্রী নওগাঁ বদলগাছী উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য বেগম সখিনা সিদ্দিক সারাবাংলাকে বলেন, ‘দলের প্রতি আনুগত্য রেখে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। একাদশ সংসদ নির্বাচনে সারা জেলায় নৌকার বিজয়ে মাঠে কাজ করেছি। দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে আছি। শেখ হাসিনায় ভরসা করি। তিনি যে মূল্যায়ন করবেন, সেই মূল্যায়নই মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত আছি।’

জানতে চাইলে দিনাজপুর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর মহিলা লীগ উত্তরের সহ-সভাপতি শিরীন ইসলাম একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী সফরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রংপুরের পীরগঞ্জে গেলে দেখা হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, ‘তখনই নেত্রীর সঙ্গে সালাম বিনিময় করেছি। নেত্রীও চিনতে পেরে খোঁজখবর নিয়েছেন। আমরা দলের দুর্দিনে ছিলাম, সুদিনেও আছি, নেত্রীর কাছে চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই।’

এদিকে সহযোগী সংগঠনের নারী নেত্রীদের মধ্যে মনোনয়ন দৌড়ে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক রোজিনা নাসরীন, সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা পান্না, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি সাবেক সংরক্ষিত নারী এমপি চেমন আরা তৈয়ব, যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী শারমিন সুলতানা লিলি, রাজশাহী জেলা মহিলা লীগ সভাপতি মর্জিনা পারভীন, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মনিরা আক্তার মনি, কার্যনির্বাহী সদস্য লুৎফুন নাহার বেগম লাকী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মহিলা লীগের সভাপতি মর্জিনা হক, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাধারণ সম্পাদক সুলতানা রাজিয়াসহ কয়েকজন।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংসদ সদসদ্যের শপথ গ্রহণের আগেই কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার মৃত্যুতে আসন শূন্য হওয়ার প্রেক্ষাপটে বর্তমানে ২৯৮ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৬টি আসন, জাতীয় পার্টি ২২টি আসন, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২টি আসন, ওয়ার্কার্স পার্টি ৩টি আসন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ২টি আসন, জাতীয় পার্টি (জেপি) একটি আসন এবং বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন একটি আসন পেয়েছে। ক্ষমতাসীন সরকার মহাজোটগতভাবে মোট ২৮৮টি আসন পেয়েছে। কিন্তু বর্তমানে এই সংখ্যা ২৮৭।

অন্যদিকে বিএনপি ৬টি ও গণফোরাম ২টি মিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মোট ৮টি আসন পেয়েছে। আর স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন তিন প্রার্থী। আর গাইবান্ধা-৩ আসনের এক প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ফলে সেখানে আগামী ২৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে প্রতি আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত নারী আসন দাঁড়ায় শূন্য দশমিক ১৬৭টি অর্থাৎ প্রায় প্রতি ছয়টি আসনের জন্য একটি দল ও জোট একজন করে সংরক্ষিত নারী সংরক্ষিত সদস্য পাবে। এ পদ্ধতিতে এবার আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচিত ২৫৭ জন এমপির জন্য প্রায় ৪৩ জন সংরক্ষিত সদস্য পাবে। জাতীয় পার্টি ২২ জন নির্বাচিত এমপির বিপরীতে চারজনের মতো নারী সদস্য পাবে। সার্বিক বিবেচনায় এবার আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের ২৮৮ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের বিপরীতে ৪৮টি আসন পেতে যাচ্ছে।

সুত্র- সারাবাংলাডটনেট

সংরক্ষিত আসন
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত