Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯, ১১ চৈত্র ১৪২৫
  • ||

মাটির বিছানায় শায়িত সোনালী কাবিনের কবি

প্রকাশ:  ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:৫০
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ গ্রামে মাটির বিছানায় চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে। এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে কবি আল মাহমুদের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার দুপরে আড়াইটার পর কবির মরদেহ মৌড়াইল তার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানের পাশে দাফন করা হয়।।

এদিন বেলা সোয়া ১১টার দিকে কবির মরদেহ রাখা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে।সেখানে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বাদ জোহর বিদ্যালয় মাঠে তার তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে শনিবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে আল মাহমুদের মরদেহ ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দক্ষিণ মৌড়াইল মোল্লাবাড়িতে এসে পৌঁছে।

কবির মামা হাফিজুর রহমান মোল্লা জানান, সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর পর নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে কবির তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর দক্ষিণ মৌড়াইল কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

শুক্রবার রাত ১১টার পর বার্ধক্যজনিত কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান ‘সোনালী কাবিন’ এর কবি আল মাহমুদ। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

পর দিন শনিবার দুপুরে কবির মরদেহ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নেয়া হয় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। সেখানে একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী কবির মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এর পর কবির মরদেহ নেয়া হয় জাতীয় প্রেসক্লাবে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

পরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আল মাহমুদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়ায় আল মাহমুদের মরদেহ শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়নি।

কবি আল মাহমুদের পুরো নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মৌড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মীর আবদুর রব ও মাতার নাম রওশন আরা মীর। তার দাদা আবদুল ওহাব মোল্লা হবিগঞ্জ জেলায় জমিদার ছিলেন।

আল মাহমুদ শুধু আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি নন, তিনি একাধারে ছিলেন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক।

সাহিত্যে অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মান একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, শিশু একাডেমি (অগ্রণী ব্যাংক) পুরস্কার, ফররুখ স্মৃতি পুরস্কার, জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এ কবি। লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৬৬) ইত্যাদি আল মাহমুদের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।

সোনালী কাবিনের কবি,আল মাহমুদের কবিতা,আল মাহমুদ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত