Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯, ৬ চৈত্র ১৪২৫
  • ||

বেশির ভাগ লাশ শনাক্ত করার মতো নয়

প্রকাশ:  ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:৪১ | আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদের পেছনের ভবনগুলোতে লাগা ভয়াবহ আগুনে নিহতের সংখ্যা একের পর এক বেড়েই চলছে। বাড়ছে বিকৃত ও নাম-পরিচয়হীন লাশের সারি। এখন পর্যন্ত ঢামেক হাসপাতালে ৭৫টি লাশ এনে রাখা হয়েছে। যার বেশির ভাগই শনাক্ত করা যায়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ জানান, আগুনে নিহত যাদের লাশ ঢাকা মেডিকেলে এসেছে, তার বেশির ভাগই শনাক্ত করার মতো অবস্থায় নেই৷ যেসব মরদেহ পুরোপুরি পুরে গেছে, শনাক্ত করা সম্ভব নয়, সেসব মরদেহে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৩৮ মিনিটে রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজার থানার চুড়ি হাট্টা শাহী মসজিদের সামনে একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগে তা আশেপাশের ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের ৩২টি ইউনিট চারঘণ্টার মতো কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে নেয়। প্রথমে অবস্থায় আগুন নিয়ন্ত্রণের পর পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধার হলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতেই একের পর এক উদ্ধার হচ্ছে নিথর ঝলসানো দেহ। পরে ১১, ১৬, ৪৯... সর্বশেষ ৭০; এভাবেই বাড়তে থাকে মৃত মানুষের সংখ্যা।

বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) মেজর একেএম শাকিল নেওয়াজ জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নেয়া হয়েছে।

জানা যায়, যে ভবনটিতে প্রথমে আগুন লেগেছে সেটি সাত তলা। নাম- ওয়াহেদ ম্যানশন। ভবনটির নিচতলায় কেমিক্যাল গোডাউন এবং প্লাস্টিক তৈরির উপকরণের দোকান রয়েছে। ভবনটির পাশের ওয়াহিদ মঞ্জিল, আমানিয়া হোটেল, রাজ হোটেল এবং উল্টা পাশের চারটি বাসায় আগুন ছড়িয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাতের ব্যাপারে স্থানীয়রা জানান, রাজমহল হোটেলের সামনে একটি পিকআপ ভ্যান দাঁড়ানো ছিল। হঠাৎ ভ্যানটিতে আগুন লেগে বিস্ফোরিত হয়। পাশে সিএনজি অটোরিক্সা ছিল। সেটাও আগুনে পুড়ে যায়। পিকআপ বিস্ফোরণের পর রাজমহল হোটেলে আগুন ছড়ায়। হোটেলের সামনে সিলিন্ডার গ্যাস ছিল। সেগুলো বিষ্ফোরিত হয়। পুরো ভবনে আগুন ছড়ানোর পর পাশের ভবন ওয়াহিদ মঞ্জিলে আগুন লাগে। এই ভবনের নিচে মার্কেট ও ওপরে গোডাউন রয়েছে। বডি-স্প্রে'র দোকান ও প্লাস্টিক দানার দোকান রয়েছে। এক পর্যায়ে ওয়াহিদ মঞ্জির সংলগ্ন জামাল কমিউনিটি সেন্টার ও রাস্তার উল্টো পাশে থাকা দুটি ভবনের চার ও পাঁচ তলায় আগুন ধরে।

তবে অনেকের দাবি, সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়নি। প্রথমে একটি ট্রান্সফর্মারে বিকট শব্দ হলে সেখান থেকে আগুন বের হতে দেখা যায়। এই আগুন থেকে রাজমহল হোটেলসহ অন্য ভবনগুলোতে থাকা প্লাস্টিক জাতীয় দাহ্য পদার্থের দোকান ও গোডাউন থেকে আগুন ছড়িয়েছে।

/অ-ভি

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত