Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯, ১২ চৈত্র ১৪২৫
  • ||
শিরোনাম

ব্রিটিশ কোনো সন্ত্রাসীকে আশ্রয় দেবে না বাংলাদেশ : গওহর রিজভী

প্রকাশ:  ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:৫৫
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রিন্ট icon

ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দেওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগম সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশ কোনো ব্রিটিশ সন্ত্রাসীকে আশ্রয় দেবে না।

বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনভিত্তিক টিভি চ্যানেল 'চ্যানেল এস'-এর জন্য ধারণকৃত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেন। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি 'চ্যানেল এস' সাক্ষাৎকারটি প্রচার করবে।

সিরিয়ায় আইএসের পতনের শেষ মুহূর্তে যুক্তরাজ্যসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত চরিত্র আইএস-বধূখ্যাত শামীমা বেগম। তার যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার ইচ্ছে এবং তারপর তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিলের ঘটনায় যুক্তরাজ্যসহ বিশ্ব গণমাধ্যমে এখন তাকে নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। একই সঙ্গে বাংলাদেশেও উচ্চারিত হচ্ছে তার নাম, কারণ শামীমা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন তরুণী।

গওহর রিজভী বললেন, শামীমা ব্রিটিশ নাগরিক, তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রিটেনে। দেশটির সরকারকেই তার দায়িত্ব নিতে হবে। বাংলাদেশ কোনো ব্রিটিশ সন্ত্রাসীকে তার ভূখণ্ডে ঢুকতে দেবে না।

মা-বাবা বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিক হওয়ায় শামীমা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চাইতে পারেন– যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদের এমন মন্তব্যের বিষয়ে ড. রিজভী বলেন, 'হোম সেক্রেটারি অনেক কিছুই এখন বলতে পারেন। শুধু মা-বাবা অথবা পূর্বপুরুষ বাংলাদেশি, এ কারণে শামীমাও বাংলাদেশি– এটা কোনো যুক্তি হতে পারে না।

এদিকে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সাজিদ জাবিদের মন্তব্যের জেরে বুধবার বিশ্ব গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেছেন, একজন দ্বৈত নাগরিক বলে ভ্রান্তভাবে শামীমা বেগমের পরিচয় তুলে ধরা হচ্ছে, এ নিয়ে বাংলাদেশ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

প্রসঙ্গত, মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাংলাদেশি অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিন এলাকা থেকে আরও দু’জন বান্ধবীসহ আইএসে যোগ দিতে সিরিয়ায় পালিয়ে গিয়েছিলেন শামীমা বেগম। গত সপ্তাহে লন্ডনের দৈনিক দ্য টাইমসের একজন সাংবাদিক সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে শামীমা বেগমের খোঁজ পান। তখন তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ওই সাংবাদিকের মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছে আবেদন করেন যেন তার অনাগত সন্তানের কথা বিবেচনা করে তাকে ব্রিটেনে ফিরতে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ব্রিটেনে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয় যে, নিষিদ্ধ একটি জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়া তরুণীকে ফেরত আসতে দেয়া উচিত কি-না।

এরই মধ্যে শামীমা বেগমের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে মঙ্গলবার পূর্ব লন্ডনে বসবাসরত শামীমার মায়ের কাছে চিঠি পাঠান যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভেদ। শামীমা হোম অফিসের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন বলেও চিঠিতে জানানো হয়।

সম্প্রতি তৃতীয় সন্তানের জন্ম দেওয়া ১৯ বছর বয়সী শামীমা তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়াকে 'অন্যায়' বলে উল্লেখ করেন। তার আগের দুটি সন্তান অপুষ্টি ও চিকিৎসার অভাবে মারা যায়।

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব হারানো শামীমা বুধবার আইটিভি নিউজকে বলেন, ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত 'হৃদয়-বিদারক'। তবে তিনি তার ডাচ স্বামীর মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বলে জানান।

পিবিডি/জিএম

ইসলামিক স্টেটে (আইএস),বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগম,আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা,ড. গওহর রিজভী
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত